মার্কিন ঘাঁটির কাছেই থাকতেন তালেবান নেতা মোল্লা ওমর!

মার্কিন ঘাঁটির কাছেই থাকতেন তালেবান নেতা মোল্লা ওমর!

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম ১২ মার্চ : ধরা না পড়তে মার্কিন ঘাঁটির কাছে থাকার কৌশল নিয়েছিলেন তালেবান প্রধান মোল্লা ওমর। অথচ কোনও খবরই ছিল না সেনাদের কাছে। নতুন প্রকাশিত একটি বইয়ে বলা হয়েছে, মার্কিন সেনাঘাঁটি থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বের একটি বাড়িতে গোপন আস্তানা তৈরি করে থাকতেন তালেবান জঙ্গি সংগঠনের প্রধান মোল্লা ওমর। খবর এএফপির।

ডাচ সাংবাদিক বেট্টে ড্যামের লেখা ‘সার্চিং ফর দ্য এনেমিস’ বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল ও দ্য গার্ডিয়ান। প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদন বলছে, মোল্লা ওমর যে বাড়িতে গোপন আস্তানা তৈরি করেছিল, সেই বাড়িটিতে একাধিকবার তল্লাশিও চালিয়েছে মার্কিন সেনা৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও ওই গোপন কক্ষের হদিশ পায়নি তাঁরা।

ঘাঁটিতে অবস্থান করতেন ১০০০ হাজার মার্কিন সেনা। পাশাপাশি মার্কিন নৌবাহিনী এবং ব্রিটিশ সেনারাও ঘাঁটি মাঝে মাঝে ব্যবহার করতো।

৯/১১ হামলার পর মোল্লা ওমরের মাথার দাম ধার্য করা হয়েছিল ১০ মিলিয়ন ডলার। আমেরিকা বারবার বলে এসেছে ওসামা বিন লাদেনের মত মোল্লা ওমরও পাকিস্তানেই লুকিয়ে রয়েছে।

বইয়ে বলা হয়েছে, ওই গোপন ঘাঁটি থেকেই তৈরি হয়েছে বড় বড় হামলার নীলনকশা। করা হয়েছে নাশকতার ছক। সবই হয়েছে মার্কিন সেনার নাকের ডগায়। সেনা ঘাঁটির খুব কাছে থাকলেও কিছুই টের পায়নি মার্কিন সেনারা।

মার্কিন ঘাঁটির কাছেই থাকতেন তালেবান নেতা মোল্লা ওমর!

প্রখ্যাত ডাচ সাংবাদিক বেট্টে ড্যাম ২০০৬ সাল থেকে আফগানিস্তানে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই সেখানে নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতার আলোকে বই লিখেছেন তিনি। এতে মোল্লা ওমরের অবাধ বিচরণ নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন ড্যাম। বইয়ে ওমরের দেহরক্ষী জাব্বার ওমারির সূত্র তুলে ধরেছেন তিনি৷ ওমারি ২০০১ সাল থেকে মোল্লা ওমরের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন।

প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মোল্লা ওমর প্রথম দিকে আফগান গভর্নরের বাসভবন থেকে কিছু দূরে প্রাদেশিক রাজধানী কালাতে থাকত। সেখানেই গোপন ঘাঁটি ছিল তার। তারপর নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা বদল করে লাগমান এলাকায় মার্কিন সেনাঘাঁটির খুব কাছে থাকতে শুরু করে। গোটা বিষয়টিকেই মার্কিন গোয়েন্দা ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেছেন ওই সাংবাদিক।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন