মিলিটারি স্যালুট শিখতে ৬ মাস সময় লেগেছে: কটরেল

মিলিটারি স্যালুট শিখতে ৬ মাস সময় লেগেছে: কটরেল

0

ক্রীড়া ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম ১১ জুন : ক্রিকেট বিশ্বে মিলিটারি স্যালুটের জন্য বিখ্যাত হয়ে গেছেন শেলডেন কটরেল। সুযোগ পেলেই তিনি স্যালুট করেন। সুযোগ পেলেই বাচ্চাদের শেখান, কোন কায়দায় সঠিক স্যালুট করা যায়! তার জন্য বিশ্বকাপে একটা নতুন শব্দের উদ্ভব হয়েছে ‘কটরেল স্যালুট ক্লাব’। সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার দলীয় ১১ রানের মাথায় হাশিম আমলাকে (৬) ক্রিস গেইলের ক্যাচ বানিয়ে মিলিটারী স্যালুট দিতে একদম ভোলেন নি কটরেল।

গত রোববার সেই ক্লাবে অস্ট্রেলিয়ার দুই মারকুটে ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও যোগ দিয়েছেন। এই দুজনকেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখিয়ে কটরলে স্যালুট ঠুকে উদযাপন করেছেন।

কেন প্রতিটা সাফল্যের পর এভাবে স্যালুট করে সেলিব্রেশন করেন কটরেল? এ বিষয়ে তিনি নিজিই বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আমার সিগনেচার স্টাইল’।

কিন্তু প্রতিটা সিগনেচার স্টাইলের পিছনে একা করে কারণ থাকে। এখানে কারণটা কী! বিশ্বকাপে এখন কটরেলের স্যালুট সেলিব্রেশন নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। এর পেছনেও রয়েছে একটি কারণ। ক্রিকেটের বাইরে কটরেল একজন সেনা সদস্য। জ্যামাইকান আর্মড ফোর্সে কর্মরত তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে কটরেল এখন বিশ্ব ক্রিকেটে জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন।

কটরেল বলেছেন, ‘এটা মিলিটারি-স্টাইল স্যালুট। আমি পেশায় একজন সৈনিক। জামাইকান ডিফেন্স ফোর্সকে সম্মান জানানোর জন্যই আমি প্রতিবার উইকেট পেলেই স্যালুট করে সেলিব্রেট করি। স্যালুট কিন্তু ঠিকঠাক আদলে হতে হবে। আমি আর্মির ট্রেনিং করার সময় ৬ মাস ধরে প্র্যাকটিস করে ঠিকঠাক স্যালুট করা শিখেছি।’

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন