কে বলেছে ধোনি ক্যাপ্টেন কুল?

কে বলেছে ধোনি ক্যাপ্টেন কুল?

0

ক্রীড়া ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : সঠিক সময় সঠিক জায়গায় থেকে সঠিক কাজ করাকেই ভাগ্য বলে আর বিপদের সময় মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারাই নেতার অন্যতম বড় গুণ। মাহেন্দ্র সিং ধোনি সেই দলেরই একজন। তাইতো ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ককে বলা হয় ক্যাপ্টেন কুল। কিন্তু তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ গৌতম গম্ভীর ও ইরফান পাঠানের প্রশ্ন,‘কে বলেছে ধোনি ক্যাপ্টেন কুল?’

দুজনের মত, ধোনি বিভিন্ন সময়ই রাগান্বিত হতেন। তবে অনফিল্ডে তাকেই সবচেয়ে বিচক্ষণ মানেন দুজন। ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী দলের খেলোয়াড় গম্ভীর জানালেন, ধোনিকে তিনি একাধিকবার মেজাজ হারাতে দেখেছেন। ২০০৭ সালের একটি ঘটনা স্মৃতিচারণ করে বলেছেন,‘২০০৭ বিশ্বকাপে আমাদের একটা সময় পারফরম্যান্স ভালো হচ্ছিল না। সেদিন ধোনি খুব উত্তেজিত হয়েছিল। তাকে ২০১১ বিশ্বকাপেও আমি দেখেছি মেজাজ হারাতে। সেও মানুষ। তারও আবেগ আছে। রাগ হওয়ার অধিকারও তার আছে। আপনি চেন্নাই কিংসের ম্যাচের সময় দেখেছেন, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মাঠে ঢুকেছিল। আবার নিজের দলের খেলোয়াড় ক্যাচ মিস বা ফিল্ডিং মিস করলে তাকে রাগ হতে দেখেছেন। হয়তো সে অন্য অধিনায়কদের মতো নয়।প্রকাশ করার ভঙ্গি আলাদা। তবে আমার থেকে শান্ত এতোটুকুর নিশ্চয়তা দিতে পারবো।’

২০০৬ সালের অনুশীলনের একটি ঘটনা সামনে এনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা ইরফান পাঠান বলেছেন,‘একদিন অনুশীলনে পরিকল্পনা হলো, ডানহাতি ব্যাটসম্যান বাঁহাতি বোলার খেলবে এবং বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি বোলারদের খেলবে। নিজেদের অনুশীলনের পর আমরা একটা অনুশীলন ম্যাচও খেললাম। সেখানে ধোনিকে আউট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওর মনে হচ্ছিল ও আউট হয়নি। ড্রেসিংরুমে গিয়ে ব্যাট ছুঁড়ে মেরেছিল। ব্যাট দিয়ে এটা-সেটায় আঘাত করেছিল। পরদিন অনুশীলনেও দেরীতে এসেছি। প্রচন্ড রাগ হয়েছিল সেদিন।’

‘রাগ ব্যবস্থাপনায়’ ধোনি ছিলেন দলের ভেতরে অনুকরণীয়। সিনিয়র এবং জুনিয়ররা তাকে অনেক সম্মান করতেন। বিশেষ করে ড্রেসিংরুমে বেশ কিছু নিয়মকানুন তৈরি করেছিলেন যেগুলো ধোনি নিজেও ভাঙতে পারতেন না।
নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন