সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : চট্টগ্রামে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় চার সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ আট জনকে আটক করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে পুলিশের একজন সোর্সও রয়েছে।
চার সিএনজি অটোরিকশা চালক হলো- জাহাঙ্গীর আলম (৩৮), মো. ইউসুফ (৩২), দেবু বড়ুয়া প্রকাশ জোবায়ের হোসেন (৩১) ও রিন্টু দত্ত প্রকাশ বিপ্লব (৩০)। অপর চার জন হলো স্থানীয় দোকানদার মো. শাহেদ (২৪), বখাটে যুবক মো. রিপন (২৭) ও মো. সুজন (২৪) এবং ধর্ষণে সহায়তাকারী মনোয়ারা বেগম প্রকাশ লেবুর মা (৫৫)।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ধর্ষণ ঘটনার বিস্তারিত জানান চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাঙ্গুনিয়া থেকে ওই গৃহবধূ কাপ্তাই রাস্তার মাথায় নামে।
সেখান থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে নগরীর চকবাজার এলাকায় নিজ বাসায় যাচ্ছিলেন। সেসময় আগে থেকে পিছু নেওয়া একদল যুবক নগরীর মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় গৃহবধূকে বহনকারী অটোরিকশা থামিয়ে জোড়পূর্ব জনৈক আনোয়ার সাহেবের ভবনের ডান পাশের নির্জন গলিতে নিয়ে যায়। সেখানে ৮ থেকে ১০ মিলে ভোর ৪টা পর্যন্ত পালাক্রমে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।
পরে ওই তরুণীকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখান থেকে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আট জনকে আটক করা হয়। বাকি আসামিদেরও আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশের উপ-কমিশনার বিজয় বসাক।
এদিকে ঘটনার সঙ্গে পুলিশের একজন সোর্সও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সোর্সই ধর্ষণ ঘটনার মূল ব্যক্তি বলে আটকৃত আসামিরা জানিয়েছে। ধর্ষণে অভিযুক্ত পুলিশের ওই সোর্সের তথ্য মতেই আট আসামিকে আটক করা হয়। তবে ওই সোর্সকে আটক করা হয়নি।
নগরকন্ঠ.কম/এআর