সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১০:২১ অপরাহ্ন

স্বামী সনি করোনায় আক্রান্ত, মিমের সকল আয়োজন থমকে গেল

১১ জানুয়ারি স্বামীর সঙ্গে হানিমুনে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন নবদম্পতি মিম-সনি। হানিমুনের জন্য এই দম্পতি দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপকে বেছে নিয়েছিলেন। সেখান চার দিন একান্তে সময় কাটিয়ে দেশে ফিরবেন মিম ও সনি। এরপর ১৫ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে স্বামীসহ সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা ছিল।

তবে সেই হানিমুন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন মিমের স্বামী সনি পোদ্দার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিম নিজেই।

মিম বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমার স্বামী (সনি) করোনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে আছে। তাই আমাদের পরিকল্পনা কিছুটা পিছিয়ে গেল। আমাদের জন্য সবাই আশীর্বাদ করবেন। পরবর্তী দিনক্ষণ জানানো হবে।’

বিদ্যা সিনহা মিম মঙ্গলবার ৪ জানুয়ারি রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে সনাতন ধর্মরীতি মেনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন। এর আগে গত বছর জন্মদিনের সন্ধ্যায় (১০ নভেম্বর) তিনি বাগদানের খবর জানান। তাঁর স্বামীর নাম সনি পোদ্দার। পেশায় ব্যাংক কর্মকর্তা। ছয় বছর আগে এক বান্ধবীর মাধ্যমে সনি ও মিমের পরিচয় হয়।

আসছে ১৫ জানুয়ারি বিবাহত্তোর সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলেন মিম। সে বিষয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘নির্ধারিত আয়োজনটি স্থগিত করা হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। সনি সুস্থ হলেই নতুন করে আয়োজনের তারিখটি জানানো হবে।’

এর আগে ২০২১ সালের ১০ নভেম্বর নিজের জন্মদিনে বাগদান সেরে সামাজিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন মিম। তখন এ অভিনেত্রী জানান, তার হবু বর সনি পোদ্দার একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন কুমিল্লায়। মাধ্যমিক শেষ করেন কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে। ঢাকায় এসে সনি পোদ্দার পড়াশোনা করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সনি পোদ্দার বর্তমানে কর্মরত আছেন সিটি ব্যাংকে। এর আগে তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্টার্ন ব্যাংকে চাকরি করেন। তাঁর সঙ্গে মিমের ছয় বছরের সম্পর্ক। এক বান্ধবীর মাধ্যমে সনি ও মিমের পরিচয়। তারপর প্রেম।

মিম অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘সাপলুডু’। বর্তমানে এই অভিনেত্রীর হাতে রয়েছে আবু রায়হান জুয়েলের ‘পথে হলো দেখা’, রায়হান রাফির ‘ইত্তেফাক’, দীপঙ্কর দীপনের ‘অন্তর্জাল’ সিনেমার কাজ। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ‘দামাল’ ও ‘পরান’ সিনেমা।

Please Share This Post in Your Social Media

বড় পর্দায় ২০ মে মুক্তি পেতে চলেছে বলিউডের তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় নায়িকা কিয়ারা আদবানি অভিনীত ছবি ‘ভুল ভুলাইয়া ২’। আনিস বাজমি পরিচালিত এই ছবিতে তার সঙ্গে আছেন তরুণদের হার্টথ্রব নায়ক কার্তিক আরিয়ান। আরও রয়েছেন টাবু, রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্রসহ দক্ষ অভিনয়শিল্পী। এর আগে ‘ভুল ভুলাইয়া’ ছবিতে দেখা গেছে অক্ষয় কুমার, বিদ্যা বালান, আমিশা প্যাটেল ছাড়া অনেককে। সংগত কারণে ‘ভুল ভুলাইয়া ২’ ছবির ঘোষণার পর থেকে কিয়ারার সঙ্গে বিদ্যার ক্রমাগত তুলনা টানা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কিয়ারার মন্তব্য, ‘ভুল ভুলাইয়া’ জনপ্রিয় ছবি ছিল। আর ‘ভুল ভুলাইয়া ২’ এর ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাই স্বাভাবিক নিয়মে তুলনা উঠে আসবে। সব ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্ষেত্রে এটা হয়। তবে আপনারা শুধু এই ছবির ট্রেলার দেখেছেন। তাই এখন পর্যন্ত জানেন না যে কে আসল ‘মঞ্জুলিকা’। এই ছবির সব চরিত্রে আলাদা শেডস আর ব্যক্তিত্ব লুকিয়ে আছে। আমার চরিত্রের ক্ষেত্রেও তাই। ‘ভুল ভুলাইয়া ২’ দেখার পর এই তুলনা টানা বন্ধ হবে বলে মনে হয়।’ কিয়ারাকে শেষ দেখা গেছে আমাজন প্রাইম ভিডিওর ‘শেরশাহ’ ছবিতে। এই ছবিতে ‘ডিম্পল চিমা’র চরিত্রে সবার নজর কেড়েছেন তিনি। তার অভিনীত চরিত্রটি ছোট হলেও জোরদার ছিল। অনেকে মনে করেন ‘কবির সিং’ ছবিটি কিয়ারার জীবনের মোড় অনেকটা ঘুরিয়ে দিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে মোটেও একমত নন তিনি। এই বলিউড নায়িকার মতে, “আসলে ‘কবির সিং’ ছবি থেকে আমি প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছি। অনেকে আমাকে বাস্তবে ‘প্রীতি’ বলে ভাবতে শুরু করেছিল। তবে আমি মনে করি যে আমার প্রতিটা ছবি-ই আমার জীবনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’। ‘ফাগলি’ আমার ক্যারিয়ারের প্রথম টার্নিং পয়েন্ট ছিল। কারণ, এই ছবির হাত ধরে আমি ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছিলাম। আমি মনে করেছিলাম যে আমি যত কাজ করব, তত বেশি কাজ পাব। ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এর মাধ্যমে আমি চিত্র সমালোচকদের নজরে পড়েছিলাম। সবার প্রশংসা পেয়েছিলাম। তখন বোঝার মতো বোধশক্তি ছিল না যে করণ জোহরের মতো নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছি। এখন পেছনের দিকে তাকালে সত্যি গর্ব অনুভব করি। কারণ, ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এর মতো সাহসী কনটেন্টে কাজ করেছি। তবে নিশ্চয় ‘কবির সিং’ ছবির পর আমার ক্যারিয়ারের খেলাটাই যেন বদলে গেছে। ‘গুড নিউজ’, ‘শেরশাহ’ এসব ছবি আমাকে এক উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।”

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com