শীত আসছে, ব্যস্ত লেপ-তোষকের কারিগররা

শীত আসছে, ব্যস্ত লেপ-তোষকের কারিগররা

0

অর্থনীতি ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় এবার একটু আগাম শীত নামতে শুরু করেছে। প্রত্যন্ত পল্লী থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন এলাকাতেও লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। এই আগাম শীতে লেপ-তোষক ব্যবসায়ীরা বেজায় খুশি। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ব্যবসায়ীরা লেপ-তোষক মওজুদ করে রেখেছেন বিক্রির জন্য।

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েকদিন থেকে ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশা পড়ছে সর্বত্র। দিনে সূর্যের আলো থাকলেও সন্ধ্যার পর ঘন কুয়াশার চাদরে চার দিকে ঢেকে যাচ্ছে। অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি থেকে শায়েস্তাগঞ্জে শীত নামতে শুরু করেছে।

বিভিন্ন বাজারে সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শায়েস্তাগঞ্জ দাউদনগর বাজার, পুরানবাজার, সুতাংবাজার ও আলীগঞ্জ বাজারে লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জ পুরাণ বাজারের লেপ-তোষক তৈরির দোকান ‘আম্মাজান’ বেডিং স্টোরের মালিক মো. কামাল উদ্দিন জানান, এরই মধ্যে ক্রেতারা নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য লেপ-তোষক, বালিশসহ শীতবস্ত্র সংগ্রহ করছেন। তবে লেপ-তোষক তৈরির কাঁচামাল তুলা ও কাপড়ের দাম একটু চড়া। বাজারে প্রতি কেজি গার্মেন্টস তুলা (সাদা) ৬০ থেকে ১২০ টাকা, গার্মেন্টস তুলা (কালো) ৩০ থেকে ৬০ টাকা, শিমুল তুলা ৬শ টাকা থেকে ৬শ ৫০ টাকা, কার্পাস তুলা ২শ টাকা থেকে ২শ ৫০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। লেপ তৈরির লাল শালু কাপড় প্রতিগজ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের দাউদনগর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. জয়নাল মিয়া জানান, গত বাছর ১ হাজার টাকায় যে লেপ বানানো হয়েছিল এবার সেটা ১৩শ টাকা থেকে ১৬শ টাকা খরচ পড়ছে। শুধু লেপ তৈরির মজুরী ২ শত টাকা। একটি লেপ বানাতে গত বছরের চেয়ে এবার ২০০/৩০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, একটি তোষক এক হাজার থেকে ১২শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ও উন্নতমানের একটি জাজিম তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

অন্যদিকে লেপ তৈরির জন্য অগ্রিম টাকা দিতে দোকানে আসা ক্রেতা মতিন মিয়া বলেন, আর কয়েক দিন পর লেপ-তোষকের কারিগররা বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। লেপ-তোষক তৈরির কাঁচামালের মূল্যও বৃদ্ধি পেতে পারে তাই, আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন