সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

সংসারে চালাতে নয়, পতাকা হাতে ঘুরি দেশপ্রেম বিলাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা রেজাউল ইসলাম। বয়স ৪২। বসবাস করেন লালমনিরহাটে। ঠিকানা এর বেশি জানান নাই। প্রায় ৬ বছরে ধরে লাল সবুজের ঝাণ্ডা কাঁধে ঝুলিয়ে রংপুর মহানগরীসহ বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন রেজাউল। উদ্দেশ্য, দেশপ্রেম বিলানো।

শুক্রবার দুপুরে মহানগরীর জিলা স্কুল মোড় বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বরে কথা হয় রেজাউল ইসলামের সঙ্গে। পতাকার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত রেজাউল বললেন, সংসার চালাতে নয়, পতাকা হাতে পথে পথে ঘুরি দেশপ্রেম বিলিয়ে দিতে। মানুষ আমাকে নয়, পতাকা দেখে কাছে আসে। এটাও তো দেশপ্রেম।

প্রতিদিন লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে ট্রেনে চেপে রংপুর স্টেশনে আসেন রেজাউল। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে লালবাগ, বিশ্ববিদ্যালয় মোড়, শাপলা চত্বর, পায়রা চত্বর, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বর, ধাপসহ শহরের অলিগলিতে ঘুরে বেড়ান।

রেজাউল জানালেন, বছরের জাতীয় দিবসগুলোর আগে ঢাকা থেকে পতাকা কিনে এনে লালমনিরহাট ও রংপুরে ফেরি করি। জাতীয় পতাকা দেখলেই তরুণরা ছুটে আসে। মোবাইল ফোনে ছবি তোলে। কত মানুষের মোবাইলে যে আমার ছবি আছে তার হিসেব নেই!

৭১ এ ক্ষুব্ধ এ জাতি প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দেশ স্বাধীন করতে স্বেচ্ছায় নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। এনে দিয়েছিলেন বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা। আজ রেজাউলরা আনন্দ নিয়ে সেই অর্জিত স্বাধীনতা বিলি করছেন।

রংপুর মহানগরের রেজাউল ইসলামের মতো অন্তত এক ডজন ফেরিওয়ালা এভাবেই প্রতিদিন পতাকা হাতে ছুটে চলেছেন। জাতীয় দিবসগুলোতে পতাকার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তাদের উপস্থিতিও বেশি দেখা যায়, বিক্রি-বাট্টাও হয় বেশ। আর এ থেকে যদি সংসারও চলে তাতে মন্দ কি!

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com