নানা আন্দোলনে অচল বশেমুরবিপ্রবি

নানা আন্দোলনে অচল বশেমুরবিপ্রবি

0

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : নানা আন্দোলনে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)। ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন, ১৭৬ জন অস্থায়ী কর্মচারীর তিন দফা সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অব আইসিটির সাত দফা দাবির আন্দোলন। এই ত্রিমুখী আন্দোলনে বন্ধ হয়ে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. তাওহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সকলেই যৌক্তিক আন্দোলনের সঙ্গে একমত। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ থাকবে।

বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের শিক্ষার্থী রেদোয়ান শুভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আন্দোলনরত ভাই-বোনদের অনুরোধ করবো একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দিয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মেহেদি হাসান তালা খোলার অনুরোধ করে বলেন, আমাদের প্রোভিশোনাল সার্টিফিকেট লাগবে। না হলে চার হাজারের অধিক শিক্ষার্থীরা এক বছর পিছিয়ে যাবে।

এদিকে প্রশাসনের আশ্বাসে শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অফ আইসিটির শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচী স্থগিত করলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা ও ১৭৬ জন অস্থায়ী কর্মচারী।

ত্রিমুখী আন্দোলনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, নতুন উপাচার্য নিয়োগ হলে ১৭৬ জন কর্মচারীর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অফ আইসিটির বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অচল অবস্থা নিরসনের বিষয়ে তিনি বলেন, অন্তত অফিসের কার্যক্রম চালু রাখার অনুরোধ করা হলেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তা শোনেনি।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন