বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৭:৪২ অপরাহ্ন

ডিজিটাল বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান পলকের

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ অর্জনের সাফল্যের গল্প নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে তা দেশের জনগণ ও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তিনি বলেন, ‘এটা আমার প্রত্যাশা যে, ডিজিটাল বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সাফল্যের গল্প, যা বিগত ১২ বছরের শ্রেষ্ট অর্জন। এগুলো নিয়ে আপনারা (সাংবাদিকরা) প্রতিবেদন তৈরি করে দেশের ১৭ কোটি মানুষ এবং বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবেন।’
প্রতিমন্ত্রী আজ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক ভার্চূয়াল ওয়ার্কশপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের বাস্তবায়নাধীন ও ইউএনডিপি’র সহায়তায় পরিচালিত এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই প্রোগ্রাম যৌথভাবে এই ওয়ার্কশপের আয়োজন করে।
বাসসে’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ওয়ার্কশপের সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুর রহমান। বাসস ইনফোটেনমেন্ট ইনচার্জ মাহফুজা জেসমিনের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এটুআই প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুল মান্নান। বাসসে’র প্রধান বার্তা সম্পাদক এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন সবুজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
বাসস’র সিটি এডিটর ও পরিচালনা বোর্ডের সদস্য মধূসুধন মন্ডল ও এটুআই’র কমিউনিকেশন অফিসার মামুনুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এটুআই’র সার্ভিস স্পেশালিস্ট দৌলতুজ্জামান খান ও পলিসি স্পেশালিস্ট আফজাল হোসেন সারোয়ার, বাসস’র প্রধান বার্তা সম্পাদক (বাংলা) রুহুল গনি সরকার জ্যোতি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদ রিসোর্সপার্সন হিসেবে কর্মশালায় অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় নিজে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্পের আর্কিটেক্ট উল্লেখ করে পলক বলেন, ‘তার নির্দেশনায় এটুআই প্রকল্প এবং আমরা সকলে মিলে এই রূপকল্প বাস্তবায়নে কাজ করেছি। ১২ বছরের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-২০২১ কিভাবে ধাপে ধাপে প্রান্ত থেকে কেন্দ্র শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার যায় এজন্য কাজ করেছি। গত ১২ বছর ধরে একটানা কাজ করে সফলভাবে এই কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা গেছে বলেই বিগত ১৩ মাসে, করোনাকালীন সময়ে সাড়ে ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছেন।’
তিনি বলেন, ‘আজকের এই কর্মশালার শুধু আপনাদেরকে জানানোর জন্যই নয়। আপনাদের মাধ্যমে সারাদেশের ১৭ কোটি মানুষের কাছে এই তথ্য-উপাত্তগুলো পৌছে দেয়া সম্ভব। আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও উপদেশ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা নিজেরাও সমৃদ্ধ হতে চাই এবং আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশ কি করণীয় এবং কিভাবে বৈশ্বিক যে পরিবর্তন, এই পরিবর্তনে কিভাবে নেতৃত্বের আসনে বসতে পারি সেভাবেই পুরো কর্মশালাটি ডিজাইন করা হয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com