শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন

‘বিশ্বকাপে থাকতে হবে ইতিবাচক’

২০১৯ সালের শেষদিকে একরকম একক প্রার্থী হিসেবে টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব পেয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। দুই বছরের মধ্যে আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তিনিই এখন যোগ্য নেতা। বাংলাদেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন কুড়ি-বিশের সর্বোচ্চ আসরে। টানা তিন সিরিজ জিতে এখন দলের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে। ক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দলের বর্তমান অবস্থা, বিশ্বকাপ সম্ভাবনা এবং ক্রিকেটারদের নিয়ে খোলা আলোচনা করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। দেশ রূপান্তর পাঠকদের জন্য বিশেষ অংশগুলো তুলে দেওয়া হলো

বিশ্বকাপে আপনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটা কী হবে?

মাহমুদউল্লাহ : সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে স্বাধীনভাবে খেলা। আমি আশা করছি দুবাই-আবুধাবিতে ব্যাটিংসহায়ক উইকেটই হবে। বড় দলগুলোকে হারাতে আমাদের ১৬০-১৮০ করতে হবে বা এ রকম রান তাড়া করতে হবে। টি-টোয়েন্টিতে বড় দলকে হারাতে হলে ভাবনা থাকতে হবে ইতিবাচক এবং স্বাধীনভাবে ব্যাট করতে হবে। ব্যাটসম্যানদের এই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। ব্যাটসম্যান হিসেবে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া আমাদের আগ্রাসী হতে হবে। আমরা হয়ত ১২০ রানেও অলআউট হতে পারি কিন্তু যদি মানসিকতা শক্ত না করি তাহলে নিজেরাই হেরে যাব।

বিশ্বকাপে কি সঠিক দল নিয়ে যেতে পারছেন?

মাহমুদউল্লাহ : এটা সত্যি দারুণ ব্যাপার যে, আমরা বিশ্বকাপে যাচ্ছি অনেকগুলো জয় সঙ্গে নিয়ে। সেদিক থেকে অবশ্যই আমরা ভালো দল। কারণ, ভালো খেলেও হারার মধ্যে ওই আত্মবিশ্বাসটা পাবেন না যা আপনি জয়ে পাচ্ছেন।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কী দেখেছেন?

মাহমুদউল্লাহ : দুটি বিষয়। একটি দলের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা। সবাই দলে থাকতে চায় ও ভালো করতে চায়। আরেকটি জয়ের জন্য ক্ষুধা। আমার মনে হয় জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকেই আমাদের শারীরী প্রতিভাষা বদলে গেছে। আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের উন্নত করার চেষ্টা করছি।

অধিনায়ক হিসেবে সামনে থেকে পারফরম করাটা দলের লক্ষ্য পূরণে কতটা ভূমিকা রাখে?

মাহমুদউল্লাহ : একজন অধিনায়কের সামনে থেকে পারফরম করা সব সময়ই উদাহরণ সৃষ্টি করে। তা ছাড়া সতীর্থদের জন্য একটা মানদ- তৈরি করে দেওয়াটা একজন অধিনায়কের দায়িত্ব। তা ছাড়া অধিনায়ককে সতীর্থদের ছোট ছোট অবদানগুলোরও প্রশংসা করা উচিত যেন সবাই দলে তাদের গুরুত্বটা বুঝতে পারে।

অভিজ্ঞ বা তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলাদা বোঝাপড়া কতটা কঠিন?

মাহমুদউল্লাহ : আমার কাছে কোনো পার্থক্য মনে হয় না। কারণ সবাই দারুণ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাপূর্ণ। আমরা সবাই সবার সমর্থন করি। তাছাড়া এখনকার তরুণরাও খুব দায়িত্বজ্ঞান রাখে। তাই বাড়তি করে তাদের কিছু বলতে হয় না।

সাকিব ও মুশফিক আপনাকে কেমন সাহায্য করছে?

মাহমুদউল্লাহ : তারা দুজনই দলের এবং ক্রিকেটের অন্যতম অভিজ্ঞ। তারা অবশ্যই আমার পাশে থাকে। একটা দলের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন আমি যদি বোলিংয়ে বদল আনতে যাই তখন সাকিব বলে যে এই প্রান্ত না অন্য প্রান্ত থেকে আনলে ভালো। আবার মুশফিকও প্রয়োজনে পরামর্শ দেয়। তারা নিজে থেকেই এটা করতে পছন্দ করে এবং আমিও তা পছন্দ করি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com