শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন

আমরা থ্যাংক ইউ নোট দিয়েছি, এটা এমন কিছু না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জাতিসংঘ সচিবালয়ের বিভিন্ন সংস্থা এবং ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর দফতরের গঠনমূলক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা চেয়ে সম্প্রতি সংস্থার মহাসচিবের দফতরে চিঠি পাঠিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সেই চিঠির খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা থ্যাংক ইউ নোট দিয়েছি, এটা এমন কিছু না।’ তিনি বলেন, ‘এটি ছিল ব্যক্তিগত চিঠি। কিন্তু কিছু বাহবা পাওয়ার জন্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেয়া হয়েছে। যা মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়া দুঃখজনক।’

গতকাল শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সিলেট নগরের তোপখানা এলাকার সারদা হলে মৎস্যজীবী লীগের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন ড. মোমেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা গিয়েছিলাম সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘে। ওখানে অনেকের সঙ্গেই সাক্ষাৎ হয়। আসে থ্যাংক ইউ নোট। তারা আমদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করেছে। একটা রেওয়াজ আছে। আপনি আমাদের সঙ্গে দেখা করলে আমরা থ্যাংক ইউ নোট দেই। সেই থ্যাংক ইউ নোট দিয়েছি। এটা এমন কিছু না। আমাদের দেশে অনেক লোক আছে, শত্রুর মতো অবস্থা। কিছু বাহবা পাওয়ার জন্য যা পায়, তাই মিডিয়াতে নিয়ে আসে। এটা দুঃখজনক।’

গত মাসে জাতিসংঘ মহাসচিবের শেফ দ্য ক্যাবিনেট আর্ল কোর্টনে র‌্যাট্রের কাছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ চিঠি পাঠান।

জানা গেছে, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের পক্ষ থেকে এ চিঠি মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের নির্বাহী কার্যালয়ে পাঠানো হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাঠানো ওই চিঠির বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে জাতিসংঘের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সহযোগিতার অভিপ্রায়।

চিঠিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের একজন ক্রুসেডার এবং তিনি দেশের মানুষের ভোট, খাদ্য ও সুন্দর জীবনযাপনের অধিকার নিশ্চিত করতে অনেক কষ্ট করেছেন। তিনি একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজন করতে সংকল্পবদ্ধ।

আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশকে বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে অযাচিত, অযৌক্তিক ও আরোপিত রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। আমরা আশা করব জাতিসংঘ ও তার সেক্রেটারিয়েট, সংস্থা ও স্থানীয় কার্যালয়গুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যেতে গঠনমূলক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com