শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হালান্ড-চেরকির জোড়া গোলে ম্যানসিটির দাপুটে জয় রোনালদোর গোলে আল নাসরের জয়, গড়লেন রেকর্ড টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিতে বাংলাদেশ এইচপি দল এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি: ইসি সচিব

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছেন। আজ রবিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

বঙ্গভবনের সামনে ইসি সচিব বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয় ছিল; নির্বাচনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক সহায়তা। এ বিষয়ে সংবিধানের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ করেছে।

পরে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন। তবে নীতিগতভাবে তিনি সামরিক বাহিনী মোতায়েনে সম্মত হয়েছেন।

কত দিন ধরে সামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে সে বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, এটি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে সকাল ১১টা থেকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ইসি সচিবসহ তিনি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।

১১ ডিসেম্বর সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পর সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, সেনা মোতায়েনের জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবে কমিশন।

এর আগে (১১ ডিসেম্বর) সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তারা ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন।

তফসিল অনুযায়ী, আজ ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবেন। ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com