সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হালান্ড-চেরকির জোড়া গোলে ম্যানসিটির দাপুটে জয় রোনালদোর গোলে আল নাসরের জয়, গড়লেন রেকর্ড টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিতে বাংলাদেশ এইচপি দল এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

সংসারে চালাতে নয়, পতাকা হাতে ঘুরি দেশপ্রেম বিলাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা রেজাউল ইসলাম। বয়স ৪২। বসবাস করেন লালমনিরহাটে। ঠিকানা এর বেশি জানান নাই। প্রায় ৬ বছরে ধরে লাল সবুজের ঝাণ্ডা কাঁধে ঝুলিয়ে রংপুর মহানগরীসহ বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন রেজাউল। উদ্দেশ্য, দেশপ্রেম বিলানো।

শুক্রবার দুপুরে মহানগরীর জিলা স্কুল মোড় বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বরে কথা হয় রেজাউল ইসলামের সঙ্গে। পতাকার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত রেজাউল বললেন, সংসার চালাতে নয়, পতাকা হাতে পথে পথে ঘুরি দেশপ্রেম বিলিয়ে দিতে। মানুষ আমাকে নয়, পতাকা দেখে কাছে আসে। এটাও তো দেশপ্রেম।

প্রতিদিন লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে ট্রেনে চেপে রংপুর স্টেশনে আসেন রেজাউল। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে লালবাগ, বিশ্ববিদ্যালয় মোড়, শাপলা চত্বর, পায়রা চত্বর, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বর, ধাপসহ শহরের অলিগলিতে ঘুরে বেড়ান।

রেজাউল জানালেন, বছরের জাতীয় দিবসগুলোর আগে ঢাকা থেকে পতাকা কিনে এনে লালমনিরহাট ও রংপুরে ফেরি করি। জাতীয় পতাকা দেখলেই তরুণরা ছুটে আসে। মোবাইল ফোনে ছবি তোলে। কত মানুষের মোবাইলে যে আমার ছবি আছে তার হিসেব নেই!

৭১ এ ক্ষুব্ধ এ জাতি প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দেশ স্বাধীন করতে স্বেচ্ছায় নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। এনে দিয়েছিলেন বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা। আজ রেজাউলরা আনন্দ নিয়ে সেই অর্জিত স্বাধীনতা বিলি করছেন।

রংপুর মহানগরের রেজাউল ইসলামের মতো অন্তত এক ডজন ফেরিওয়ালা এভাবেই প্রতিদিন পতাকা হাতে ছুটে চলেছেন। জাতীয় দিবসগুলোতে পতাকার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তাদের উপস্থিতিও বেশি দেখা যায়, বিক্রি-বাট্টাও হয় বেশ। আর এ থেকে যদি সংসারও চলে তাতে মন্দ কি!

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com