বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : ব্রিটেনে গত বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দল কনজারভেটিভ পার্টি। নির্বাচনের এই ফলকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে আসা তথা ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও বরিস জনসনের এতো বড় জয়ের পরও ব্রিটেনে বিভক্তি রয়ে গেছে। ফল ঘোষণার পর শুক্রবার রাতে বরিস জনসনের বিরুদ্ধে লন্ডনে বিক্ষোভ হয়েছে। লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে কয়েকশ মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা ‘বরিস জনসন:নট মাই প্রাইম মিনিস্টার’ এবং ‘বরিস, বরিস, বরিস:আউট, আউট, আউট’ স্লোগান দেয়। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে ‘টোরি শাসন প্রত্যাখ্যান কর, অভিবাসীরা স্বাগত’ স্লোগান লেখা ছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে থেকে মিছিল নিয়ে ট্রাফালগার স্কয়ার ও থিয়েটার ডিসট্রিক্টের সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিক্ষোভের কারণে ওই সময়ে লন্ডনের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিল। লন্ডনের বাইরে গ্লাসগোতেও বরিস জনসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়।
মেট্রো.কো.ইউকে নামের অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। বিক্ষোভ বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ছিল বলে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী গণমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন। ইভিনিং স্টান্ডার্ডের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভের সময় পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে।
এদিকে নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর লেবার পার্টির প্রধান জেরেমি করবিনের ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়ছে। নির্বাচনের একদিনের মধ্যেই করবিনকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বলেছেন বেশ কয়েকজন লেবার নেতা।
এমপি মার্গারেট হজ এক টুইট বার্তায় করবিনের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনি ব্যর্থ হয়েছেন। সরে দাঁড়ান। টনি ব্লেয়ারের আসনে হেরে যাওয়া ফিল উইলসন বলেছেন, আমি মনে করি, তার অবস্থানের বিষয়টি চিন্তা করা উচিত। তিনি দুইটি নির্বাচনে ব্যর্থ হয়েছেন। এদিকে করবিন জানিয়েছেন, উত্তরসূরী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দলের নেতৃত্ব দেবেন। আরো কিছু সময় দলের নেতৃত্বে থাকবেন আলোচনা চালিয়ে যাবার জন্য। আগামী নির্বাচনে তিনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন না।
নগরকন্ঠ.কম/এআর