রবিবার, ১৯ Jul ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
এপস্টিনের সঙ্গে ইসরায়েলি ডিপ স্টেট ও মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগসূত্র ছিল : ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা হামলার শঙ্কায় কুয়েতে ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত : প্রধানমন্ত্রী ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস মন্ত্রিসভায় ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত

শাস্ত্রীয় নৃত্যে মুখর ছায়ানট

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : শাস্ত্রীয় নৃত্যের ছন্দে মুখরিত হয়ে উঠেছিল ছায়ানট ভবন। ছায়ানট আয়োজিত নৃত্য উৎসবে সারাদেশ থেকে যারা শাস্ত্রীয় নৃত্য সাধনায় সম্পৃক্ত তাদের মিলনমেলায় রূপ নিয়েছিল এ উৎসবকে ঘিরে। নৃত্যগুরু ও শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ছুটির সন্ধ্যায় বর্ণিল এক উৎসব উপভোগ করলেন দর্শকরা। গতকাল ছায়ানট মিলনায়তন উপচে পড়েছিল দর্শকদের চাপে। শাস্ত্রীয় নৃত্যের পাঁচটি ধারায় ভাগ করা হয়েছিল পর্বগুলো। মনিপুরী দিয়ে শুরু এরপর ওড়িশি, গৌড়ীয় নৃত্য, ভরতনাট্যম এবং কত্থক পরিবেশনা দিয়ে শেষ হয় উৎসব।

উৎসবের উদ্বোধন হয় ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি ডা. সারোয়ার আলীর স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে। তিনি বলেন, নৃত্য দেহের সংগীত। চোখ, হাত, পা, সারা দেহ সঞ্চালনের শৈল্পিক রূপটি নৃত্যের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। আদিকাল থেকে যে শিল্পকলাটি লক্ষ্য করা গেছে সেটি নৃত্যশৈলী। তাই এ শরীরী সঞ্চালনের মধ্য দিয়ে কোনো ঘটনা ও উপলব্ধিকে প্রকাশ করা নৃত্যশিল্পীরা করে থাকেন। মুক্তিযুদ্ধের পর গত কয়েক দশক ধরে নৃত্যের চর্চার বিকাশ ও বিস্তার এ ভূখণ্ডে ঘটতে দেখা যায়। ছায়ানট নৃত্যের ধ্রুপদী রূপের চর্চা করে আসছে। ধ্রুপদী নৃত্যের যে চারটি ধারা তার প্রকাশ এ উত্সবের মধ্য দিয়ে দেখা যাবে। এ উত্সবের মধ্য দিয়ে মনের যে কলুষতা তা থেকে মুক্ত হব এটাই কামনা।

স্বাগত কথনে অংশ নেন ছায়ানটের শিক্ষক বেলায়েত হোসেন খান। তিনি বলেন, প্রকৃত শিক্ষার জন্য সংস্কৃতির যোগ জরুরি। সংগীতের, নৃত্যের চর্চা যত প্রসার পাবে সমাজ তত অগ্রসর হবে।

সিলেটের একাডেমি ফর মনিপুরী কালচার অ্যান্ড আর্টসের শিল্পীদের ‘সূর্য প্রণাম’ পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয় উৎসব। এরপরের পরিবেশনা ছিল ঢাকার শিল্পী বাবরুল আলম চৌধুরীর ‘শিবস্তুতি’। এরপর নৃত্য পরিবেশন করেন সামিনা হোসেন প্রেমা। এরপর তামান্না রহমানের পরিচালনায় দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যম নৃত্যশীলক কেন্দ্র। এছাড়াও নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নর্তনালয় ও ছায়ানটের শিল্পীরা। এরপর ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যছন্দের শিল্পীরা। গৌড়ীয় নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পী র‌্যাচেল প্রিয়াংকা প্যারিস। ভরতনাট্যম পরিবেশন করেন রুবাশা মারিয়ামা খান, অর্ণ কমলিকা, অর্থী আহমেদ, অমিত চৌধুরী, সৃষ্টি কালচারাল সেন্টার ও ছায়ানটের শিল্পীরা। কত্থক নৃত্য পরিবেশন করে কত্থক নৃত্য সম্প্রদায়, রেওয়াজ পারফর্মার্স স্কুল। আর একক নৃত্য পরিবেশন করে মাসুম হসাইন।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com