বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

মালামাল কোনায় দুর্নীতি, টেন্ডার কমিটির ৮ জনকে দুদকের তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে মালামাল কেনাকাটায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ানসহ আটজনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক প্রধান কার্যালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শামসুল আলমকে প্রধান করে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়। ওই তদন্ত টিমের প্রধান চিঠির মাধ্যমে টেন্ডার কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আটজনকে তলব করেছেন। আগামী রবিবার ও সোমবার টেন্ডার কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জানা গেছে, রবিবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে টেন্ডার কমিটির বাজার দর যাচাই কমিটির সদস্য ডা. জাহাঙ্গীর, ডা. শাহীন ভূঁইয়া, ডা. প্রাণকৃষ্ণ ও ডা. পংকজ কান্তি গোস্বামীকে। পরদিন সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন টেন্ডার কমিটির প্রধান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ান, সদস্য সচিব ও হবিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা. নাসিমা খানম ইভা, সদস্য ডা. হালিমা ও ডা. কদ্দুছ। এর আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ দুদক তদন্ত টিমের কাছে টেন্ডার সংক্রান্ত কাগজপত্র ঢাকায় পাঠিয়েছেন।

আরও পড়ুন: মুক্তিযোদ্ধার মাথা কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা

প্রকাশ, সম্প্রতি হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের বইপত্র ও মালামাল কেনায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে প্রতিষ্ঠানটিতে। ভ্যাট ও আয়কর খাতে সরকারি কোষাগারে জমা হয় এক কোটি ৬১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৪৮ টাকা। ১৩ কোটি ৮৭ লাখ ৮১ হাজার ১০৯ টাকা মালামাল কেনা বাবদ ব্যয় দেখানো হয়। কিন্তু বাস্তবে ওই মালামালের মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি নয়। বাকি টাকার পুরোটাই ভাগ-বাটোয়ারা হয়েছে অভিযোগ উঠে। সরবরাহ করা মালামালের মধ্যে ৬৭টি লেনোভো ল্যাপটপের (মডেল ১১০ কোর আই ফাইভ) মূল্য নেওয়া হয় ৯৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ ঢাকার কম্পিউটার সামগ্রী বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ফ্লোরায় একই মডেলের ল্যাপটপ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪২ হাজার টাকায়। এছাড়া প্রায় প্রতিটি মালামাল অতিরিক্ত মূল্যে সরবরাহ করে নির্ঝরা এন্টারপ্রাইজ এবং পুনম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ বিষয়ে খবর প্রকাশের পর দুদক তদন্তে নামে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com