শুক্রবার, ১৭ Jul ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন

ঝরা ফুলের মতো নুইয়ে পড়েছে রাইসা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : যে বয়সে রাইসার শৈশবের দুরন্তপনায় মেতে থাকার কথা; সেই বয়সে নুইয়ে পড়েছে ঝরা ফুলের মতো। মারণ ব্যাধিতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রাইসার বেদনার্ত চোখে বাঁচার আকুতি।

সবার সহযোগিতায় প্রাণ ফিরে পেতে পারে সে। এ জন্য সন্তানকে বাঁচাতে আঁচল পেতেছেন মা রেবেকা।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা মির্জাপুর গ্রামের মশিয়ার রহমান ও রেবেকা বেগম দম্পতির একমাত্র সন্তান রাইসা খাতুন (৭)। বর্তমানে তারা যশোর শহরের কারবালা বামনপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

জীবিকার তাগিদে রাইসার বাবা মশিয়ার একটি দোকানের বিক্রয়কর্মী। মা রেবেকা বেগম ছাত্রদের মেসে রান্না করেন।

রাইসার মা রেবেকা বেগম জানান, একমাত্র সন্তান রাইসাকে নিয়ে তাদের সংসার ভালোই চলছিল। রাইসার বয়স যখন ৩, তখনই জানা যায় তার শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা সংক্রামক রোগ। প্রথম দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা করালেও মেয়েকে পুরোপুরি সুস্থ করা যায়নি। মাত্র সাত বছর বয়সেই তার লিভার নষ্ট, মূত্রনালিতে সংক্রামক।

খুলনার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লিভার প্রতিস্থাপন ছাড়া রাইসাকে বাঁচানোর অন্য কোনো উপায় নেই। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যেতে হবে। তার চিকিৎসার জন্য ৬-৭ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু দরিদ্র পিতা-মাতার পক্ষে এত টাকা জোগাড় কোনোভাবেই সম্ভব নয়। রাইসার চোখেও তাই শূন্যদৃষ্টি। যেন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা।

রেবেকা বেগম আরও জানান, রাইসা মির্জাপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। অসুস্থ হওয়াতে একমাত্র মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসা ও জীবিকার তাগিদে তারা এখন যশোর শহরে ভাড়া থাকেন। মেয়েকে বাঁচাতে এখন টাকা দরকার। তাই একমাত্র মেয়ের চিকিৎসার জন্য দেশের বিত্তবান, হৃদয়বান ব্যক্তিবর্গসহ সব মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন তিনি।

মানুষ মানুষের জন্য-সেই অর্থে রাইসাকে বাঁচাতে হবে। সামর্থ্যানুযায়ী এগিয়ে আসা প্রয়োজন এখুনি। তা না হলে সত্যিই একটা সম্ভাবনা চিরতরে হারিয়ে যাবে।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-রাইসার বাবা মশিয়ার রহমান। নিজস্ব বিকাশ নাম্বার ০১৭৫৪-৪৩১৩৫৬।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com