বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের উচাবাজারে সোমবার গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে ১৬টি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ২৮ জন ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মালামালসহ পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার উপরে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
বৈদ্যুতিক শট-সার্কিট থেকে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সদরপুর ও ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের ভোর পর্যন্ত সময় লাগে। আগুনে দোকানঘরগুলোর ভেতরে থাকা মালামালসহ দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে নিঃস্ব হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি দোকানদার।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশান ইনচার্জ সজিবুর রহমান জানায়, রাত পৌনে দুইটার দিকে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে যাওয়ার আশঙ্কায় সদরপুর থেকে আরো দুটি ইউনিট কর্মী এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি।
আরো পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে দেশের গানে সাজবে গানবাংলা
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানস বসু মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এসময় চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়াতে আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। তার নির্দেশে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করি। আগামী বৃহস্পতিবার সাংসদ নিক্সন চৌধুরী ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য প্রদান করবেন।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানস বসু জানায়, সচেতনার অভাবেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলো- কামরুল তালুকদার, শেখ ফজলুল হক, সাইদুর মাতুব্বর, আরিফ ফকির, লিয়াকত, নুর আলম. ইউনুস, ডা. বিপ্লব কুমার দাস, পচা মিয়া, মাছুদ ফকির, আরিফ মিয়া, সুপল পাল, মিন্টু পাল, তোফাজ্জেল হোসেন, বাদল ঠাকুর, বিপ্লব মালাকার, নেপাল মালাকার, শাহাদাৎ সর্দার, সেকেন্দার আলী ফকির, আব্দুল মাতুব্বর, নুরু মাতুব্বর, বন্ধন দাস, রমেন সেন, রহিম মাতুব্বর, জগন্নাথ পাল, লিয়াকত খান, সাইফুল ইসলাম ও বাশার মাতুব্বর। এসব ব্যবসায়ীরা মুদি দোকান, জুতা সেন্ডেলের দোকান, চাউলের দোকান, ফার্মেসীসহ বেশ কয়েকটি গুদাম ঘরে ব্যবসা করত।
নগরকন্ঠ.কম/এআর