কারাবাখ যুদ্ধে এরদোগানের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ আসাদের

কারাবাখ যুদ্ধে এরদোগানের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ আসাদের

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘাতে ইন্ধন যোগাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদ।

তিনি বলেন, তুরস্ক যুদ্ধ অঞ্চলে সেনা পাঠাচ্ছেন। তবে যুদ্ধকবলিত নাগরনি-কারাবাখে সেনা পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে তুর্কি।

সংবাদ সংস্থা আরআইএ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এরদোগানের দিকে আঙ্গুল তুলে আজারবাইজানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন আসাদ। তবে অস্ত্রবিরতির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চেষ্টাও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

আসাদ বলেন, লিবিয়ায় সন্ত্রাসীদের সমর্থন দিয়েছেন এরদোগান। নাগারনো কারাবাখের সংঘাতের মূল উসকানিদাতা ও সূত্রপাতকারী তিনি।

এদিকে নাগরনো-কারাবাখে নৃতাত্ত্বিক আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংঘাত নিয়ে আলোচনা করতে মঙ্গলবার আজারবাইজান সফরে যাবেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু।

এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন তথ্য জানিয়েছেন।

এএফপির খবরে বলা হয়, মেভলুত কাভুসগলু ৬ অক্টোবর আজারবাইজান সফরে যাবেন। সেখানে তিনি আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিইয়েভর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

আর্মেনিয়া অধিকৃত নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে তারা আলোচনা করবেন বলে খবরে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিইয়েভ অস্ত্ররিরতির জন্য কিছু শর্তারোপ করেছেন। এসব শর্ত আর্মেনীয় নেতার পক্ষে মেনে নেয়া প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া অগ্নিগর্ভ ভাষণে রোববার আলিইয়েভ সতর্ক করে বলেন, আর্মেনীয় নেতার আগেই ভাবা উচিত ছিল। এখন অনেক বিলম্ব হয়ে গেছে।

তিনি আর্মেনীয় বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের এলাকা অবশ্যই ছেড়ে যেতে হবে। ইয়েরেভানকে আজারবাইজানের আঞ্চলিক অখন্ডতার কথা স্বীকার করতে হবে।

‘আজারবাইজানের জনগণের কাছে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং যে অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ চলছে সেটি আর্মের্নিয়ার অংশ নয় বলে তাকে স্বীকার করতে হবে।’

আলিইয়েভ আরও বলেন, নাগরনো-কারাবাখ আমাদের ভূমি। আমাদেরকে সেখানে ফিরতে হবে এবং আমরা এখনি তা করছি।

তিনি বলেন, এটিই শেষ। আমরা তাদের দেখিয়েছি আমরা কি। আমরা তাদের কুকুরের মতো তাড়া করছি।

উল্লেখ্য, নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে কয়েকদিন ধরে তীব্র সংঘর্ষ চলছে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন