হাওড়া রণক্ষেত্র, জলকামানে বিজেপির অভিযান ছত্রভঙ্গ

হাওড়া রণক্ষেত্র, জলকামানে বিজেপির অভিযান ছত্রভঙ্গ

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : কলকাতায় বিজেপির যুব মোর্চার নবান্ন অভিযানের সময় জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে অভিনব জলকামান ব্যবহার করতে দেখা গেল পুলিশকে। বেগুনি রঙের জল ছুটে যেতে দেখা গেল যখন হাওড়া ময়দান থেকে মিছিল করে আসছিলেন বিজেপি নেতাকর্মীরা।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের সদর দপ্তরের নাম নবান্ন আর এখানেই বসেন মমতা ব্যানার্জি। আজ নবান্ন অবশ্য বন্ধ ছিল, কিন্তু বিজেপির তাও নিজেদের অভিযানের কর্মসূচি বহাল রাখে।

নবান্নর দিকে এগোনোর জন্য পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে বিজেপি কর্মীরা। তারপরেই জলকামান ছাড়া হয়। কিন্তু জলকামানের রং দেখে চমকে যান সবাই। কারণ বেগুনি রংয়ের জল ধেয়ে এলো জলকামান থেকে। আর তারপরেই চাপানউতোর শুরু হয়েছে এই জলের রঙ নিয়ে।

ঘটনার পরে বিজেপি রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন স্ট্রিটে বসে বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি ও সভাপতি তেজস্বী সূর্য বলেন, বিজেপি কর্মীদের দিকে কেমিক্যাল মেশানো জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে। যাদের শরীরে লেগেছে শরীর পুড়ে গেছে। এই কেমিক্যাল কি ছিল? তদন্ত চায়।

বিজেপির এই অভিযোগের কিছুক্ষণ পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন তাকে বিজেপির এই অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে আলাপন বলেন, ওটা হোলির রং। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে রঙের ব্যবহার হয়। পরবর্তীকালে কাউকে চিহ্নিত করার প্রয়োজন পড়লে এই রং এর সাহায্যে তা সহজেই করা যায়। আইনের মধ্যে থেকেই এর ব্যবহার করা হয়েছে।

এদিন বিজেপির পক্ষে চারটি মিছিল বের হয় এবং যেগুলো যাচ্ছিল নবান্নর দিকে। সপ্তাহের কাজের দিনে বিজেপির যুব মোর্চা নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়ে ছিল কলকাতা এবং হাওড়া। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ চলল বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে।

মমতা ব্যানার্জি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের লক্ষ্যে এই নবান্ন অভিযানের আয়োজন করে বিজেপি। প্রথমে তারা বলেছিলেন প্রায় দুই লাখ মানুষের জমায়েত হবে। কিন্তু আজ ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজারের বেশি জমায়েত হয়নি।

‘বিজেপি একটি সন্ত্রাসবাদীর দল। উনারা কেবল অশান্তি করতে চান’ বলেন তৃণমূলের মন্ত্রী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন