বুধবার, ২৮ Jul ২০২১, ১১:৪৫ অপরাহ্ন

লাইভ সাইন্সে প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাঝেই আরেক মারাত্মক ভাইরাসের আতঙ্ক। সেই ভাইরাস শরীরে বাসা বাঁধলেই মারাত্মক হেমারেজিক জ্বরে আক্রান্ত হন রোগী। বলিভিয়ায় প্রথম ছড়িয়ে পড়ে ইবলোর মতো চাপার নামের এক ভাইরাস। আর সেই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের শরীরেও ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাসের কারণেই মূলত হয় হেমারেজিক জ্বর।

লাইভ সাইন্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মারত্মক প্রাণঘাতী এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে পেটব্যথা, বমি, চোখব্যথা, ত্বকজ্বালা, চুলকানি, ঘা হবে। সঙ্গে হেমারেজিক জ্বর। ১৬ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এই তথ্য জানিয়েছে।

২০০৪ সালের দিকে গ্রামীণ বলিভিয়ান প্রদেশে প্রথম এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। তখন মাত্র একজন সংক্রমিত হয় এই ভাইরাসে। এরপর ইবলোর মতো এই ভাইরাস নাই হয়ে যায়। কিন্তু ২০১৯ সালে আবার দেখা দেয়। এক গবষেণার বরাত দিয়ে লাইভ সাইন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, তখন বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজায় এই ভাইরাসে পাঁচজন আক্রান্ত হন। মারা যান তিনজন।

মানুষ থেকে মানুষের শরীরে কিভাবে ছড়ায় এই ভাইরাস? লাইভ সাইন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শারীরিক তরলের মাধ্যমে এই ভাইরাস অন্য মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। শারীরিক তরল হলো রক্ত, প্রস্রাব, বীর্য, লালা।

লাইভ সাইন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই খবরটি নিয়ে যতেষ্ট চিন্তার কারণ রয়েছে। কারণ সিডিসির তথ্য মতে, ২০১৯ সালের পাঁচজন রোগীর মধ্যে তিনজনই ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের মধ্যে একজন মেডিক্যাল রেসিডেন্ট, একজন অ্যাম্বুলেন্সকর্মী এবং আরেকজন ছিলেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট। এই তিনজনের মধ্যে দু’জনই প্রাণ হারান। তারা সবাই চাপার ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে গিয়েছিলেন।

সূত্র: লাইভ সাইন্স।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com