শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
করোনায় কাজ হারিয়েছেন ৬২ শতাংশ মানুষ আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে কোভিড মোকাবেলায় গ্লোবাল কল টু এ্যাকশন গ্রহণে নেতৃত্ব দিল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে কোভিড মোকাবেলায় গ্লোবাল কল টু এ্যাকশন গ্রহণে নেতৃত্ব দিল বাংলাদেশ ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ভোট দিয়েছেন শ্লোগান নয়, আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করতে হবে খালেদা জিয়াকে: গয়েশ্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে স্ট্যান্টবাজিই বিএনপির বর্তমান উদ্দেশ্য: হানিফ শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ পর্ব ফের গাজায় বিমান হামলা চালাল ইসরায়েল বেতন বাড়ছে ক্রিকেটারদের সখীপুরে উপবৃত্তিবঞ্চিত কয়েক হাজার শিক্ষার্থী

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবেলায় ভোলার ৭০৯ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী অর্ধশতাধিক চর থেকে ৩ লাখ ১৮ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১৩ হাজার সিপিপি’র স্বেচ্ছাসেবী, পুলিশ, কোস্টগার্ড, গ্রাম পুলিশ ও আনসার ভিডিপি।

৮টি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ছুটি।

সোমবার (২৪ মে) সকাল থেকে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার খবর প্রচার করতে দেখা যায় সিপিপির স্বেচ্ছাসেবীদের। তারা মেঘনা পাড়ের বসতি এলাকা ও মাছঘাটগুলোতে হ্যান্ডমাইকে সর্তক বার্তা প্রচারের পাশাপাশি সবাইকে নিরাপদে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সময়ে কোস্টগার্ড বিভিন্ন ঘাটে উপস্থিত হয়ে জেলেদের সাগর ও গভীর নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার প্রচারণা চালিয়েছে। সর্তকতা সংকেত প্রচার করেছে জেলা তথ্য অফিসও।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানার সম্ভাবনা থাকায় প্রস্তুতি সভা করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থা কমিটি। সভা থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে সকলের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক ইলাহী চৌধুরী।

এ নির্দেশনার পরপরই উপজেলা পর্যায়ে জরুরি সভা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দুইভাগে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঝড়ে আগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন, চরাঞ্চলের মানুষদের মূল ভূখণ্ডে আনার জন্য ৪০টি স্থান নির্ধারণ করে স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঝড়ের পরে উদ্ধার কাজের পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৭৬টি মেডিকেল টিম ও ২০০ কমিউনিটি ক্লিনিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মজুদ রাখা হয়েছে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী।

এদিকে ভোলায় এখন পর্যন্ত ইয়াস এর কোনো বিরূপ প্রভাব দেখা যায়নি। তবে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদী কিছুটা উত্তাল হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আবহাওয়াও ছিল রৌদ্রোজ্জ্বল। তাপদাহ ছিল বিগত কয়েক দিনের মতোই তীব্র। স্থানীয়রা জানিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে জলোচ্ছ্বাস হলে ভোলার সাগরকুলের ঢালচর, চর কুকরীমুকরী, চর নিজাম, চরপাতিলা, চর জহির উদ্দিন, চর মোজাম্মেল, মদনপুর, মাঝের চর, নজরুল নগর, চর কচুয়াখালীসহ অর্ধশতাধিক চর তলিয়ে যেতে পারে। এতে মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশু ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com