শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০৭:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
করোনায় কাজ হারিয়েছেন ৬২ শতাংশ মানুষ আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে কোভিড মোকাবেলায় গ্লোবাল কল টু এ্যাকশন গ্রহণে নেতৃত্ব দিল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে কোভিড মোকাবেলায় গ্লোবাল কল টু এ্যাকশন গ্রহণে নেতৃত্ব দিল বাংলাদেশ ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ভোট দিয়েছেন শ্লোগান নয়, আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করতে হবে খালেদা জিয়াকে: গয়েশ্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে স্ট্যান্টবাজিই বিএনপির বর্তমান উদ্দেশ্য: হানিফ শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ পর্ব ফের গাজায় বিমান হামলা চালাল ইসরায়েল বেতন বাড়ছে ক্রিকেটারদের সখীপুরে উপবৃত্তিবঞ্চিত কয়েক হাজার শিক্ষার্থী

জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম আগামী প্রজন্মকে সৃজনশীল কাজে অনুপ্রেরণা যোগাবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম আগামী প্রজন্মকে সৃজনশীল কাজে নিরন্তর অনুপ্রেরণা যোগাবে।
আগামীকাল ২৮ মে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বরেণ্য চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামবাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য, সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও সংগ্রামই ছিল তার চিত্রকর্মের মূল উপজীব্য। ১৯৩৮ সালে সর্বভারতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনীতে তার অঙ্কিত জলরঙের ছবির জন্য তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। জয়নুলের কর্মে প্রতিভাত হয়েছে সমসাময়িক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে নর-নারীর শ্রম ও সংগ্রাম এবং সেই সাথে তাদের ক্ষমতার বহিঃপ্র্রকাশ।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি ইউরোপীয় স্টাইলে চিত্রাঙ্কনের ওপর লেখাপড়া করলেও প্রাচ্য বা পাশ্চাত্যের অঙ্কনধারা তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। অতিমাত্রায় রীতি নির্ভনতার পরিবর্তে তিনি বাস্তবতার প্রতি আকৃষ্ট হন। এ বরেণ্য শিল্পীর কল্পনার রেখা ও তুলিতে ভাস্বর হয়ে উঠেছে ১৯৪৩ সালের ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘নবান্ন’, ১৯৭০ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে লাখো উপকূলবাসীর মৃত্যুতে ‘মনপুরা’র মতো হৃদয়স্পর্শী চিত্র। শিল্পীর কালজয়ী শিল্পকর্ম দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও বিপুল প্রশংসা ও স্বীকৃতি লাভ করেছে। অসাধারণ শিল্প-মানসিকতা ও কল্পনাশক্তির জন্য তিনি শিল্পাচার্য উপাধিতে ভূষিত হন।
তিনি বলেন, শিল্পাচার্য জয়নুলের উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজ (বর্তমানে চারুকলা ইনস্টিটিউট) প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পাচার্য জয়নুলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৭৫ সালে সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা গ্যালারি। বিশ্বখ্যাত এ বরেণ্য শিল্পী ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, শিল্পাঙ্গনে তার অনবদ্য অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি বরেণ্য এ শিল্পীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com