বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:১২ অপরাহ্ন

আইপিএল শেষেই বিশ্বকাপে সাকিব

বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে পুরোদমে। আবুধাবির টলেরেন্স ওভালে গতকাল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম অফিশিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে। ১৪ অক্টোবর আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ। কিন্তু কোনোটাতেই খেলতে পারছেন না সাকিব আল হাসান। আইপিএল ব্যস্ততায় কলকাতা নাইট রাইডার্সে আছেন সাকিব। আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে খেলা সাকিবদের। এ ম্যাচে কলকাতা হারলে ১৪ অক্টোবর ফ্রি হবেন সাকিব। আর জিতলে ১৫ অক্টোবর ফাইনাল খেলেই জাতীয় দলে যোগ দিতে পারবেন। অবশ্য সাকিবের এই না থাকাটা যেন বাংলাদেশের জন্য মন্দের ভালো। বিশ্বকাপের মূল ভেন্যুতে সর্বোচ্চ পর্যায়েই খেলছেন সাকিব। তাতে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটাও বাংলাদেশ দলের মধ্যে সবচেয়ে সেরা হচ্ছে তার।

এদিকে আইপিএলের জন্য বিসিবি থেকে নেওয়া অনাপত্তিপত্রের সময় শেষ হয়েছে সাকিবের। ৭ অক্টোবর থেকে অনাপত্তির মেয়াদও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান, ‘এটা আমাদের জন্য ভালো যে সে (সাকিব) ওখানে খেলছে এবং যখনই ওর খেলা শেষ হবে সে দলের সঙ্গে যোগ দেবে। সাকিব ও মোস্তাফিজকে নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন না, যেহেতু ওরা ওখানেই খেলছে। খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের আগে যত বেশি ম্যাচ খেলবে তত ভালো। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে, মাত্র ৩ ঘণ্টার খেলা। আমার মনে হয় যে এটা ওর জন্য ও দলের জন্য অনেক ভালো হবে।’

১৩ অক্টোবর দিল্লির বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কলকাতা হারলে ১৪ অক্টোবর দলের সঙ্গে যোগ দেবেন সাকিব। তখন দুবাই থেকে আবুধাবি যেতে হবে সাকিবকে। ওইদিন আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ বাংলাদেশের। দলের সঙ্গে যোগ দিলেও সাকিব সে ম্যাচ খেলতে পারছেন না নিশ্চিত। আইপিএল শেষের পর বিশ্রাম নিতে হবে তাকে। আবার ১৩ অক্টোবর জিতে ফাইনালে গেলে সাকিব ফ্রি হবেন একেবারে ১৬ তারিখ। ১৫ অক্টোবর ফাইনাল খেলে পরদিনই সাকিবকে দলের সঙ্গে যোগ দিতে হবে ওমানে।

আইপিএলের আমিরাত পর্বে শুরুতে একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না সাকিব। অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের চোটের কারণে শেষ দুটি ম্যাচ খেলে দলকে কোয়ালিফায়ারে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সোমবার এলিমিনিটরে আরসিরির বিপক্ষে শেষ ওভারে ৭ রানের প্রয়োজন ছিল কেকেআরের। প্রথম বলেই লেগ সাইডে দুর্দান্ত এক স্কুপে ৪ মেরে জয় সহজ করে নেন তিনি। অপরাজিত থাকেন ৬ বলে ৯ রানে। ওই সময়ের অনুভূতি নিয়ে সাকিব বলেন, ‘চাপ সব সময় থাকে। কিন্তু পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া রপ্ত করতে হয় আমাদের। আমি অনেক দিন ধরে খেলছি এবং আমার জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করছি। এই ধরনের চাপ নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য আমার আছে।’ দিল্লির সঙ্গে ম্যাচ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘যে প্রক্রিয়া আমরা এতদিন ধরে অনুসরণ করছি, ঠিক সেই ফর্মুলাই প্রয়োগ করব। আমিরাতে আসার পর থেকে আমরা নকআউট মনোভাব নিয়ে আছি এবং একে একে ওইসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। আমাদের দলের জন্য এখন ভালো একটা ব্যাপার হলো কলকাতার ক্যাম্পে আত্মবিশ্বাসের যে মাত্রা, তাতে কোনো দলই আমাদের হালকাভাবে নেবে না।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com