বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
নায়িকাদের ‘ফিগার’ নিয়ে যা বলতেন ডা. মুরাদ ইমনকে র‍্যাব কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে আইসিসির নভেম্বরের সেরার লড়াইয়ে নাহিদা ইইউ মন্ত্রীরা স্বল্প বেতনের কর্মীদের মজুরী সুরক্ষার ব্যবস্থা নিতে সম্মত কোভিড-১৯-এর চ্যালেঞ্জ ও প্রভাব মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সমস্যা চায় না ভারত : মোমেন মুরাদ হাসান জেলা আওয়ামী লীগ থেকেও অব্যাহতি পাচ্ছেন : ওবায়দুল কাদের সমালোচনা সত্বেও পিএসজির খেলার ধরনে পরিবর্তন হবে না : পচেত্তিনো কিউলেক্স মশক নিধনে বিশেষ অভিযান শুরু ২২ ডিসেম্বর থেকে : মেয়র আতিক ভোলায় ডিজিটাল সেন্টারের ১১ বছর পূর্তি উদযাপন ও ই-সেবা ক্যাম্পেইন

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি বাজারে আগুন ছড়াবে: ক্যাব

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কেরোসিন এবং ডিজেলের দাম বৃদ্ধি ভোক্তা পর্যায়ে ‘মারাত্মক প্রভাব’ ফেলবে। ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ মন্তব্য করা হয়।

এতে বলা হয়, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক যন্ত্রণা থেকে সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন লেগে যাবে, হু হু করে সব খাদ্যপণ্য ও সেবার মূল্য বেড়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে যাবে। সরকার জ্বালানি খাতে ভর্তুকি হ্রাসের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে এর প্রতিক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা দুর্বিষহ হয়ে উঠবে যা।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের গণশুনানি ছাড়া সরকারের নির্বাহী আদেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছে।

এস এম নাজের হোসাইন বিবৃতিতে আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে কেরোসিন এবং ডিজেল তেলের দাম কমতির দিকে ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে এখন দাম বাড়িয়ে দিল। দাম যখন কম ছিল তখন সরকার বাংলাদেশে দাম সমন্বয় করেনি। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে এখন দাম বাড়িয়ে দিল। দাম সমন্বয় না হওয়াতে এখন বাজারে বিরূপ প্রভাব দেখা দেবে। সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যদি নিয়মিত সমন্বয় করত তাহলে একটা অবস্থা তৈরি হতো। এখন হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির সুযোগ নিবে ব্যবসায়ীরা।

বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাজের বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে যুক্ত ডিজেল ও কেরোসিন তেলের দাম বাড়ালেও অকটেন ও পেট্রলের দাম বাড়ায়নি। ফলশ্রুতিতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী সাধারণ ভোক্তাদের সঙ্গে ন্যায্য বিচার করতে সক্ষম হয়নি।

এতে বলা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রলে লিটার প্রতি ৫ রুপি ও ডিজেলে ১০ রুপি করে উৎপাদন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা আশা করি সরকার ভারতের দৃষ্টান্ত বিবেচনায় আনবে।

বিবৃতিতে এস এম নাজের হোসাইন আরো বলেন, সরকার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও আইএমএফ’র পরামর্শে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি হ্রাস ও ভারতে তেল পাচার হয়ে যাচ্ছে-ইত্যাদি বাহানা তুলে দেশের জনগণের ওপর বর্ধিত মূল্য চাপিয়ে দিয়েছে।

ক্যাব জানায়, বর্তমানে নিত্যপণ্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি বাজারে আগুন ছড়াচ্ছে, তাতে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে সীমিত আয়ের মানুষসহ সর্বস্তরের সাধারণ নাগরিক জীবনযাত্রা ভয়াবহ দুর্বিষহ। সরকার মুষ্টিমেয় অসাধু ব্যবসায়ীর স্বার্থ সংরক্ষণে সদা বদ্ধপরিকর। সে কারণে ব্যবসায়ী ও মুজতদাররা নানা টালবাহানায় ও নানা অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে জনজীবনে দুর্বিষহ অবস্থা তৈরি করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com