রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

স্যান ম্যারিনোকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড

ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে সবসময়ই দেখা মেলে রোমাঞ্চকর সব ম্যাচের। কখনো নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করে অনিশ্চিত হয়ে যায় ইতালির বিশ্বকাপ, আবার কখনো কাজাখাস্তানের জালে ৯ গোল দিয়ে উৎসব সারে ফ্রান্স। যেখানে দ্বিতীয়টির দেখাই মেলে বেশি।সোমবার রাতেই যেমন, ফিফা র‌্যাংকিংয়ের তলানির দল স্যান ম্যারিনোকে নিয়ে ছেলেখেলাই করল ইউরো কাপের রানার্সআপ দল ইংল্যান্ড। মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের একার ৪ গোলসহ গুনে গুনে ১০ বার স্যান ম্যারিনোর জালে বল প্রবেশ করিয়েছে তারা।

এই ১০-০ গোলের বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ টিকিটও নিশ্চিত হয়ে গেছে ইংল্যান্ডের। ম্যাচটি অবশ্য হারলেও ক্ষতি ছিল না ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপজয়ীদের। কেননা অন্য ম্যাচে হাঙ্গেরির কাছে ১-২ গোলে হেরেছে পোল্যান্ড। ফলে এমনিই বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয় ইংল্যান্ডের।ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে সবসময়ই দেখা মেলে রোমাঞ্চকর সব ম্যাচের। কখনও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করে অনিশ্চিত হয়ে যায় ইতালির বিশ্বকাপ, আবার কখনও কাজাখাস্তানের জালে ৯ গোল দিয়ে উৎসব সারে ফ্রান্স। যেখানে দ্বিতীয়টির দেখাই মেলে বেশিনির্ভার এই ম্যাচটিতে গোলবন্যা করে ১৯৬৪ সালের পর কোনো ম্যাচে ১০ গোলের ব্যবধানে জিতল ইংল্যান্ড। সে বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একই ব্যবধানে ছিল তারা। ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয় ১৩-০ গোলে; ১৮৮২ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।দলের বিশাল জয়ে একাই চার গোল করে এলিট ক্লাবে ঢুকেছেন হ্যারি কেইনও। আলবেনিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচেও হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। পরপর দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা চতুর্থ ইংলিশ খেলোয়াড় কেইন। বাকি তিনজন হলেন ভিভিয়ান উডওয়ার্ড (১৯০৯), ডিস্কি ডিন (১৯২৭) ও টমি টেইলর (১৯৫৭)।কেইনের এই রেকর্ডগড়ার দিন স্কোরশিটে নাম তুলেছেন ইংল্যান্ডের আরও পাঁচ খেলোয়াড়। তারা হলেন হ্যারি মাগুইরে (৬), এমিল স্মিথ রো (৫৮), টাইরন মিংস (৬৯), ট্যামি আব্রাহাম (৭৮) ও বুকায়ো সাকা (৭৯)। অন্য গোলটি ছিলো আত্মঘাতী।চার গোল করতে কেইন সময় নিয়েছেন মোটে ১৫ মিনিট। ম্যাচের ২৭ মিনিটের মাথায় স্কোরলাইন ৩-০ করেন তিনি। এরপর ৩১, ৩৯ ও ৪২ মিনিটে জাল কাঁপিয়ে নিজের ডাবল হ্যাটট্রিকসহ দলের স্কোর বানিয়ে ফেলেন ৬-০। দ্বিতীয়ার্ধে সতীর্থদের আরও চার গোলে ইংল্যান্ড জিতেছে ১০-০ গোলে।ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে আই গ্রুপ থেকে ১০ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। সমান ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফে লড়বে পোল্যান্ড। অন্যদিকে স্যান ম্যারিনো হেরেছে ১০ ম্যাচের সবকয়টি। এই ১০ ম্যাচে তারা হজম করেছে ৪৬টি গোল।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com