সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাশিয়ার নৌবহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন হাইপারসনিক জারকন ক্রুস মিসাইল। এটি শব্দের চেয়ে নয়গুণ দ্রুত গতিতে আঘাত হানতে সক্ষম ও অনেক বেশি বিধ্বংসী বলে দাবি মস্কোর। রুশ নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষেপণাস্ত্রটি মোতায়েন করা হবে বলে জানান প্রেসিডেন্ট পুতিন।
রোববার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে নৌবাহিনী দিবসে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেখান থেকেই, তার দেশের নৌবহরে হাইপারসনিক জারকন ক্রুজ মিসাইল যুক্ত হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি। তবে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের তীব্রতা বাড়াতে এই উদ্যোগ কী না তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি।
রুশ প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণার পর, প্রশ্ন উঠছে জারকন ক্রুজ মিসাইলের সক্ষমতা নিয়ে। এটি থ্রিএমটুটু জারকন নামে পরিচিত। ২০১৯ সালে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় বিশ্বের। আর পরের বছর জানুয়ারিতে নৌযান থেকে প্রথম পরীক্ষা চালানো হয় ক্ষেপণাস্ত্রটির।
সে বছরই অক্টোবরে ব্যারেন্টস সি-তে সেভারোদভিনস্ক সাবমেরিন থেকে আরেকটি পরীক্ষা চালানো হয়। যা প্রায় ৫শ কিলোমিটার দূরে উপকূলে প্রশিক্ষণ স্থলে সফলভাবে আঘাত হেনেছিলো।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শব্দের চেয়েও কয়েকগুণ দ্রুতগতিতে ছুটে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। সে গতি হতে পারে শব্দের ৫ থেকে ৯ গুণ বেশি। জারকন ক্রুস মিসাইলের ক্ষেত্রে তা সর্বোচ্চ গতিই হবে বলে জানা গেছে।
এছাড়া এক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের। এর সরাসরি আঘাতে লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হবে- বলে দাবি মস্কোর।
পুতিন জানান, জারকন অ্যাডমিরাল গোর্শকভ জাহাজে প্রথম মোতায়েন করা হবে। এছাড়া মোতায়েন হতে পারে সাবমেরিনেও।
জারকনকে বহুমুখী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বলে দাবি রুশ নৌবাহিনীর। তাদের মতে, এটি নৌ ও স্থলবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এজন্য একে অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলে অভিহিত করেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।