বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
হঠাৎ করে ডিজেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধি যেনো মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকদের জন্য। সব ধরনের সারের বস্তা প্রতি কৃষককে বাড়তি ৩শ টাকা গুণতে হচ্ছে। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকেও সারের বরাদ্দ কমছে। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা। যদিও কৃষি বিভাগ বলছে, দেশে সারের কোন সংকট নেই।
চাষাবাদের ভরা মৌসুম। তাই রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজশাহীর পবা উপজেলার চাষীরা। যেনো দম ফেলার সময় নেই।তবে কৃষকদের বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে লোডশেডিং আর ডিজেলের দাম। একই সাথে সারের বাড়তি দামও কৃষকদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে বেড়েছে ডিজেলের দাম। সে সাথে সারের বাড়তি দামে উৎপাদন খরচ বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় দ্বিগুণ।
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, রাজশাহীর পবা উপজেলায় আবাদি জমি রয়েছে ৪০ হাজার হেক্টর। এ এলাকার জন্য সরকারিভাবে পটাশ সারের বরোদ্দ রয়েছে ৫৮ মেট্রিক টন। অর্থাৎ, এক হেক্টর জমির জন্য কৃষক সার পাবে ১ দশমিক চার পাঁচ কেজি সার। আর কৃষি অধিদপ্তর বলছে, এক হেক্টর জমিতে সারের প্রয়োজন হয় ১৬০ কেজি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কৃষি অধিদপ্তর সারের দাম বাড়ানোর বিষয়টিকে যৌক্তিকভাবে দেখলেও তা মানতে নারাজ বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
আগামী বোরো মৌসুম পর্যন্ত দেশে পর্যাপ্ত সারের মজুদ রয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।
রাজশাহী জেলায় জুলাই মাসে পটাস সারের চাহিদা ৫ হাজার মেট্রিকটন থাকলেও এর বিপরীতে মিলছে ৯৪৭ মেট্রিকটন সার।