বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ন্যূনতম অবকাঠামো ও শিক্ষক নেই একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে

২০০২ সালে অনুমোদন পায় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পেরিয়ে গেছে, আজও স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়টি। একসময় সিদ্ধেশ্বরীতে লিজ নেওয়া বাড়িতে এবং ধানমন্ডিতে ‘ক্যাম্পাস’ ছিল তাদের। এখন শুধু সিদ্ধেশ্বরী ‘ক্যাম্পাস’ আছে। ওই বাড়ির লিজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাদের বারবার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। আবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছে, নয়তো নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রাখতে বলেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক এম এ হান্নান ফিরোজ। তার মৃত্যুর পর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে জটিলতা দেখা দেয়। ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে চরম দ্বন্দ্ব বাধে। হান্নান ফিরোজের স্ত্রী ফাতিনাজ ফিরোজ ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান। ডেমরার গ্রিন মডেল টাউনে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস হচ্ছে। ২০২৫ সালের আগে সেখানে যাওয়া সম্ভব নয় বলে ইউজিসিকে জানিয়েছে তারা। প্রচুর দায়-দেনা থাকায় স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজও ভালোভাবে এগোচ্ছে না। চরম দুরবস্থার মধ্যে রয়েছে একসময়ের নামকরা এ বিশ্ববিদ্যালয়।

শুধু স্ট্যামফোর্ড নয়, ১০৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৮টিই চরম দুরবস্থায়। ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশের চিন্তা করছে ইউজিসি। ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা টাকার বিনিময়ে বদল করতে চান উদ্যোক্তারা। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় নামকাওয়াস্তে চলে; এগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক ও ল্যাবরেটরি নেই। শিক্ষার্থীই পাচ্ছে না তারা। শিক্ষকদেরও ঠিকমতো বেতন দিতে পারছে না। বোর্ড অব ট্রাস্টিজে দ্বন্দ্ব আছে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে রয়েছে সনদ বিক্রির অভিযোগ।

ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা বদল নিয়ে আইনে কিছু বলা নেই। অর্থ লেনদেনের সুযোগও নেই। কেউ অর্থ লেনদেন করে থাকলে তার প্রমাণ পাওয়া যায় না। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়। তা করলে আমরা কিছু বলতে পারি না। সংশোধিত আইনে আমরা এ বিষয়টিকে অ্যাড্রেস করব। সংশোধনীতে ট্রাস্টি বোর্ডের বড় পরিবর্তনে আচার্যের অনুমতি নেওয়ার বিধান যুক্ত করা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com