মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
অর্থ পাচার ঠেকাতে মামলার আগেই সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের ব্যাংক হিসেব আটকে দিতে পারবে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এই সিদ্ধান্ত নিতে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের সম্মতি লাগবে। অনুসন্ধানকালে দুর্নীতিবাজদের ব্যাংক হিসেব থেকে বিদেশে টাকা পাচারের ঘটনা ঠেকাতে এবার কঠোর অবস্থানে দুদক।
সুইজার ল্যান্ডের আড়াইশোটি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালে বাংলাদেশীদের জমা টাকা পরিমাণ ৮ হাজার ২ শ ৭৬ কোটি টাকা। ২০২০ সালে এই টাকার পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৩শ ৪৮ কোটি টাকা। আর অর্থপাচার সংক্রান্ত মার্কিন গবেষণা সংস্থা গ্রোবাল ফিনেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর এদেশ থেকে গড়ে ৬৫ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়।
আগে কেবল ঘুষ দুর্নীতি সংক্রান্ত অর্থ পাচার অনুসন্ধান করতে পারতো দুদক। সম্প্রতি আদলাতের রায়ে মানিলন্ডরিং সংক্রান্ত সকল অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান ও তদন্ত করার দ্বায়িত্ব পায় দুদক। টাকা পাচার রোধে এখন থেকে অনুসন্ধানকালেই ব্যাংক হিসেবের লেনদেন আটকে দিতে পারবে দুদক। এরইমধ্যে গ্রামিণ টেলিকমের কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাত করা টাকা লুকোনো হয়েছে- এমন সন্দেহে ১৯ টি ব্যাংক হিসেবের লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এসব হিসেবে ৩৩ কোটি টাকা ছিলো।
দুর্নীতি বিরোধী গবেষণা সংস্থাটি টিআইবি বলছে, অর্থ পাচার দেশের উন্নয়নকে পেছন থেকে টেনে ধরছে। তাই কেবল পাচাররোধ করলেই হবে না, ফেরত আনতে হবে পাচার করা টাকাও।
আরও কয়েকশত ব্যাংক হিসাবে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেলেই আটকে দেয়া হবে দুর্নীতিবাজদের বেশ কিছু টাকা।