মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নেয়ায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, পূর্ণিমা ও বায়ুচাপের প্রভাবের কারণে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে এক থেকে দুই ফুট বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে উপকূলীয় জেলা, দ্বীপ ও চরগুলোতে। এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে।
মধ্য বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
এর ফলে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে এক থেকে দুই ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘুনিভূত হয়ে নিম্বচাপ আকারে ভারতের উড়িষ্যা এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দূর্বল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক-সংকেতের পাশাপাশি, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে বরিশাল, ভোলা, বরগুনা ও পটুয়াখালীর নিম্নাঞ্চলে এবং উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এসব এলাকায় কোস্টগার্ড, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্র এবং রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। এদিকে, বরিশালে ২৪ ঘন্টায় ৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।