মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে মা ইলিশের বাধাহীন প্রজননের জন্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। যা কার্যকর থাকবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময় ইলিশ ধরা ও বেচাকেনা নিষিদ্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
এ সময়ে জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখবে সরকার। এই ২২ দিন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে প্রশাসন।
সরকারের নিষেধাজ্ঞার ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ট্রলার নোঙর করা ছিল দেশের দ্বিতীয় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটায়। এ নিষেধাজ্ঞার সময় প্রত্যেক জেলে ভিজিএফের ২০ কেজি করে চাল পাবে।
বরাদ্দকৃত চালের তালিকা তৈরি করে দ্রুত তা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে জেলেরা। মধ্যরাত থেকেই পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
শ ম রেজাউল করিম জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়ে আইন অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে ১ থেকে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
তিনি বলেন, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের ১২ দশমিক ২২ শতাংশ আসে ইলিশ থেকে। যা একক প্রজাতি হিসেবে সর্বোচ্চ। জিডিপিতে এই মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি।
তিনি আরও বলেন, এ বছর এক হাজার ৩৫২ মেট্রিকটন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করে ১ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ১৪১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আয় করেছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সবশেষ তথ্যানুসারে, বিশ্বে মোট ইলিশ উৎপাদনের ৮০ শতাংশ হয় বাংলাদেশে। ৬ লাখ লোক এই মাছ আহরণে জড়িত। গত ১২ বছরে দেশে ইলিশ আহরণ বেড়েছে দ্বিগুণ।