সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

বিদেশে উদ্ধারের ৯৭% লিবিয়ায়

ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন পূরণে দালালদের ১০ লাখ টাকা দিয়েও লিবিয়াতে আটক থেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন হবিগঞ্জের ফ্রজাতপুরের বাসিন্দা মো. করিম হোসেন। তাকে সমুদ্রপথে টলারে লিবিয়া থেকে ইতালি নেওয়ার কথা বলে এক মরুভূমিতে ২৬ দিন আটকে রাখার পর পুলিশের হাতে তুলে দেয় দালালরা। জেল খেটে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) সহায়তায় গত ১৭ আগস্ট দেশে ফিরেছেন।

একইভাবে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে দালালদের সাড়ে তিন লাখ টাকা দেন সুনামগঞ্জের জগন্নাতপুরের বাসিন্দা সিএনজি অটোরিকশা ড্রাইভার এনামুল হক। কিন্তু তাকে লিবিয়া নিয়ে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছে আরও টাকা দাবি করা হয়। পরে দালালদের কাছ থেকে পালিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন এনামুল। তাকেও সম্প্রতি দেশে পাঠিয়েছে আইওএম।

শুধু করিম হোসেন ও এনামুল হক নয়, এমন হাজার হাজার বাংলাদেশি ভুক্তভোগী লিবিয়াতে আটকে আছেন। যাদের স্বপ্ন ছিল ইতালি বা ইউরোপের কোনো দেশে যাওয়া। পরিবারের সচ্ছলতা আনার সেই স্বপ্ন আজ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এর আগে ২০২০ সালের মে মাসে লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে দালালরা। আইওএম গত দুই বছরে পাচার হওয়া যেসব বাংলাদেশিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধার করে প্রত্যাবর্তন করেছে, তাদের ৯৬ দশমিক ৮৭ ভাগই লিবিয়া থেকে উদ্ধার হওয়া। এখনো কয়েক হাজার বাংলাদেশি লিবিয়াতে আইওএমের তত্ত্বাবধানে দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছেন।

ভুক্তভোগী করিম হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘২০২২ সালের শুরুর দিকে স্থানীয় দালাল আলী হোসেনকে ১০ লাখ টাকা দিয়েছি ইতালিতে যাওয়ার জন্য। সে লিবিয়া পর্যন্ত নিয়ে সেখানে এক মরুভূমিতে ২৬ দিন আটকে রাখে। বলা হয় টলারে করে ইতালি পাঠানো হবে। আমার মতো আরও প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি ওই মরুভূমিতে ছিল। কিন্তু দালালরা পরে আমাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com