সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
সাপ্তাহিক ও বড়দিনসহ দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। বুকিং হয়ে গেছে সব হোটেল-মোটেল। প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। হোটেল-মোটেলে জায়গা না পেয়ে অনেকে রাত কাটিয়েছেন আকাশের নিচে কিংবা পরিচিতজনদের বাড়িতে।
প্রতিবছর শীত মৌসুমে পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করেন পর্যটকরা। তবে সাপ্তাহিক ও বড়দিন উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির কারণে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে বান্দরবানে। মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক শৈলপ্রপাত, চিম্বুক পাহাড়, নীলগিরিসহ দর্শনীয়স্থানে ভিড় করছেন তারা।
টানা ছুটিতে রাঙামাটিতেও আশানুরূপ পর্যটক পেয়ে খুশি হোটেল-মোটেল রিসোর্ট মালিকসহ পর্যটন ব্যবসায়ীরা। জমজমাট হয়ে উঠেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্য। হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস ও রেস্ট হাউসগুলোতে এখন ঠাঁই নেই অবস্থা। তবে সড়ক-মহাসড়কে যানজট, অতিরিক্ত পরিবহন ভাড়া এবং অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে ভ্রমণপিপাসুদের।
দীর্ঘ ছুটিতে সাগর কন্যা কুয়াকাটাতেও ঢল নেমেছে পর্যটকদের। তবে খাবার মূল্য ও হোটেল ভাড়া বেশি রাখার অভিযোগ তাদের। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মাসুম বিল্লাল বলেন শীত কম এর মধ্যেই কুয়াকাটায় ঘুরতে মজা, সবই ঠিক আছে তবে খাবারের দাম কিছুটা বেশি এবং পর্যটনের ভিতরের কানেক্টিং সড়ক গুলো পাকা করা জরুরী।
এদিকে পর্যটকদের ভ্রমণ নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ ।
এক সপ্তাহ আগেই কুয়াকাটার দেড় শতাধিক হোটেল-মোটেল এবং কটেজ বুকিং হয়ে যাওয়ায় অনেকে আত্মীয় স্বজন কিংবা স্থানীয়দের বাড়িতে রাত্রীযাপন করছেন।