রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

অবশেষে চালু হচ্ছে কুলাউড়ার ৩ রেলস্টেশন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা তিনটি রেলস্টেশন চালুর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সিলেট-আখাউড়া রেল সেকশনের কুলাউড়ার টিলাগাঁও, লংলা, ভাটেরা স্টেশনসহ দেশের বিভিন্ন সেকশনে বন্ধ থাকা ৪৮টি স্টেশন ফের পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগীয় প্রকৌশলী (ঢাকা) মো. সিরাজ জান্নাত স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ওই পত্র সূত্রে জানা যায়, জনবল এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে দেশের বিভিন্ন রেলপথে থাকা ৫৪টি স্টেশন আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে গার্ড, স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। এ জন্য যাত্রীদের সুবিধা ও ট্রেন পরিচালনার গুরুত্বের ভিত্তিতে বন্ধ থাকা ৪৮টি স্টেশন আবার চালুর সব ব্যবস্থা নিতে এক পত্রের মাধ্যমে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট-আখাউড়া রেল সেকশনের কুলাউড়ায় জনবলসংকট দেখিয়ে ২০০৯ সালে ভাটেরা ও টিলাগাঁও স্টেশনটি পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করে রেল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া লংলা রেলস্টেশনটিও লোকবলসংকটে গত এক দশক ধরে প্রায়ই ‘সাময়িক বন্ধ’ করে দেওয়া হতো। সর্বশেষ গত সাত মাস ধরে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে স্টেশনটি। এসব স্টেশনের লোকাল ট্রেনের যাত্রাবিরতির পাশপাশি এ রেলপথে চলাচলকারী আন্ত নগর ট্রেনগুলোর ক্রসিং দেওয়া হতো। এসব স্টেশন বন্ধ হওয়ার পর থেকে লোকাল ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও ট্রেনের ক্রসিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রতিনিয়ত যাত্রা বিলম্বতে পড়তে হয় আন্ত নগর ট্রেনগুলোকে। এ স্টেশনগুলোর মাধ্যমে চলাচলকরী উপজেলার রাউত্গাঁও, হাজীপুর, টিলাগাঁও, শরিফপুর, বরমচাল, ভাটেরার লক্ষাধিক মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। লোকাল ও মেইল ট্রেনে তারা কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ ও সিলেটে যাতায়াত করত। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহনে বাণিজ্যিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এদিকে স্টেশনগুলো আবার চালুর জন্য দীর্ঘদিন ধরে একাধিকবার বিভিন্ন সময় ট্রেন আটকে আন্দোলন ও মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত থাকায় ভাটেরা ও টিলাগাঁও স্টেশনের ভবন জরাজীর্ণ ও ব্যবহৃত মূল্যবান সরঞ্জামাদি চুরি এবং নষ্ট হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com