সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রযুক্তির অব্যাহত অগ্রগতিতে সাইবার আক্রমণের সম্প্রসার ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য করে তুলেছে। অস্ট্রেলিয়ান বাজারে স্মার্ট কার আমদানি বৃদ্ধির মধ্যে ব্যক্তিদের জন্য সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে একটি আলোচনা চলছে দেশটির থিঙ্ক ট্যাঙ্কগুলোর মধ্যে।
আধুনিক গাড়িগুলো ক্যামেরা ও সেন্সরে সজ্জিত এবং সফ্টওয়্যার আপডেটের মতো কাজগুলো করার জন্য ইন্টারনেটের সংযোগ রয়েছে সেখানে। এই গাড়িগুলো অবস্থান, ড্রাইভিং রুট, ফোন নম্বর এবং ড্রাইভারদের করা কলসহ সকল ডেটা সংগ্রহ করে। কিন্তু এই ডেটাগুলো অপব্যবহার হতে পারে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইন্ডিয়া টুডে জানায়, চীন ২০২২ সালে অটোমোটিভ শিল্পে অস্ট্রেলিয়ার গাড়ি আমদানির চতুর্থ বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে। দেশটির তৈরি গাড়ি বিক্রয় আগের বছরের তুলনায় ৬১ শতাংশ বেড়েছে এবং ১২২কে ইউনিট অতিক্রম করেছে। অস্ট্রেলিয়ায় গাড়ি আমদানিতে শুধু জাপান, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে রয়েছে চীন।
কিন্তু আইওটি কার্যকারিতা সক্ষম চীনা গাড়িগুলো নিয়ে ডেটা গোপনীয়তার বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এই গাড়িগুলো ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করতে পারে। তার অবস্থান, ড্রাইভিং অভ্যাস এবং ব্যক্তিগত তথ্যসহ প্রচুর পরিমাণে ডেটা প্রেরণ করতে পারে।
ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ল এর অধীনে চীন সরকার এই ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে, যা ডেটা গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়। ভারতীয় বাজারে আইওটি কার্যকারিতা সক্ষম চীনা গাড়ির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতিও ডেটা গোপনীয়তা, জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে একটি ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটি সরকারি গাড়িতে একটি ‘চীনা নজরদারি ডিভাইস’ শনাক্ত করা হয়েছিল। ইউকে নিউজ আউটলেট জানায়, নিরাপত্তা কর্মীরা সরকারি এবং কূটনৈতিক যানবাহনে অনুসন্ধানের সময় গাড়ির অবস্থানসহ ডেটা প্রেরণ করতে পারে এমন একটি সিম কার্ড তারা খুঁজে পায়। এ বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, চীনা স্মার্ট গাড়িগুলো ঠিক কতটুকু নিরাপদ।