শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
দেশের ইতিহাসে বড় ট্র্যাজেডি সাভারের রানা প্লাজা ধস। ভয়াবহ এ ঘটনার পর একে একে কেটে গেছে ১০টি বছর। কিন্তু এখনো হয়নি এর বিচার।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজা ভবন। ওই ঘটনায় এক হাজার ১৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত ও পঙ্গু হন প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। জীবিত উদ্ধার করা হয় দুই হাজার ৪৩৮ জনকে। বাংলাদেশ তো বটেই, গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয় এই শিল্প দুর্ঘটনা। এ দুর্ঘটনার ১০ বছর পূর্ণ হবে আজ সোমবার। বর্তমানে শ্রমিক মৃত্যুর মামলাটি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তবে ১০ বছরেও শেষ হয়নি এর বিচারকাজ।
অপরদিকে, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা আইনে দায়ের করা মামলাটিও হাইকোর্টে স্থগিত হয়ে আছে। ফলে, সেটিও আইনি জটিলতার কারণে মামলার কার্যক্রম আগাচ্ছে না।
শ্রমিক মৃত্যুর হত্যা মামলাটি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে। ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপরে শুরু হয় বিচারকাজ। অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করে আসামিপক্ষ। হাইকোর্টে পাঁচ বছর মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকে। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়। গত বছরের ৩১ জানুয়ারি মামলার বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। গত এক বছর তিন মাসে ৩৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। এ মামলায় অভিযোগপত্রে সাক্ষী করা হয়েছে ৫৯৪ জনকে।
নথি থেকে জানা গেছে, এ মামলার ৪১ আসামির মধ্যে বর্তমানে কারাগারে আছেন একজন। তিনি হলেন, রানা প্লাজা ভবনের মালিক সোহেল রানা। জামিনে আছেন ৩২ আসামি। পলাতক ছয়জন। মারা গেছেন দুই আসামি।