শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই এলাকার কমপক্ষে ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে চলা সংঘর্ষ রাত ৯টার সময় শেষ হয়। ভাঙা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের গুলপুনদী ও নাওরা, ছুলনা, শুয়াদী, চান্দ্রা, অপরপুর্টিসহ ৬ গ্রামের লোকজন দুই দলে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদেরকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে আলগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম ম সিদ্দিকুর রহমান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার সময় এলাকার কিছু যুবক ছুলনা বাজারে ছবি তুলছিল। এ নিয়ে যুবকদের মধ্যে গুলপুনদী গ্রামের বাবু বিশ্বাস, সুজন, আশরাফুল ও নাওরা এলাকার বাবু, রিফেলসহ কয়েকজন যুবকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
এ ঘটনার জের ধরে গুলপুনদী ও নাওরা, ছুলনা, শুয়াদী, চান্দ্রা, অপরপুর্টি গ্রামের লোকজন দুই দলে বিভক্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেড় দুই ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জনের অধিক লোক আহত হয়েছে।
এই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে আছাদ (২২) ও আজিজুলকে ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুর এবং হেলাল, সাহাদাৎ, সবুজ, ফারুক, আলাউদ্দিন, হিরো, মনির মোল্লা, ফাইজুর, আক্কাস মাতুব্বরকে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম জানান, একটি তুচ্ছ ঘটনা (ছবি তুলা) নিয়ে একদল যুবকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি পরে গ্রামবাসীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে । সংবাদ পেয়ে এলাকায় পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি । তবে এব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যেহেতু এলাকারগুলোতে উত্তপ্ত অবস্থায় রয়েছে, সেকারণেই ওই এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ রাখা হয়েছে।