বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

আবারও ডুবেছে ফতেয়াবাদ রেলজংশন, আটকা পড়েছে ট্রেন

রাতভরের বৃষ্টিতে আবারও ডুবেছে চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ রেল জংশন। রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় রবিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৭ টা থেকে স্টেশনের অদূরে আটকে আছে চট্টগ্রাম শহরগামী নাজিরহাট থেকে আসা একটি ট্রেন। এ সময় শহরগামী শতাধিক ট্রেন যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। এদিকে রাতভরের টানা ফতোয়াবাদ রেল জংশন ও তার আশপাশের এলাকার রাস্তাঘাট হাঁটু পরিমাণ পানিতে ডুবে থাকায় আটকা পড়েছে ট্রেনের বিপুল সংখ্যক যাত্রী।

হাঁটু সমান পানিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের বড়দিঘির পাড় ও নন্দীরহাট এলাকার অংশটি। ফলে উত্তর চট্টগ্রাম বা শহরমুখী উভয় দিকে যানবাহন চলাচল সকাল থেকে কার্যত বন্ধ আছে। তবে হাঁটু সমান পানি মারিয়ে কিছু বাস ও ট্রাক চলাচল করতে পারলেও ছোট গাড়ি সিএনজি অটোরিকশা, মাইক্রোবাস৷ মিনিবাস চলতে পারছে না। এ কারণে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।

বর্ষা এলে চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি ডুবে থাকার কারণ জানালেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, বর্ষার পানিতে মহাসড়কের যে অংশটি ডুবে থাকে সেখানে একটি কালভার্ট আছে। এই কালভার্টটি স্থানীয় কাটাখালী খালের সম্মুখস্থল। এটির নিচ দিয়ে চট্টগ্রাম সেনানিবাস, খিল্লাপাড়া এবং পশ্চিমের পাহাড় থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানি কাটাখালী খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে হালদা নদীতে গিয়ে পড়ে। কিন্তু গত ১৯/২০ বছর ধরে উক্ত কালভার্ট দিয়ে বৃষ্টির পানি নিস্কাষণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর কারণ কালভার্টের মুখে স্থানীয় চিকনদণ্ডী এলাকার জনৈক আবুল কাশেম ২০০৩ সালের দিকে “হক শপিং সেন্টার” নামে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। এ কারণে রাস্তার ওই অংশটি পানিতে ডুবে যায়।

সরেজমিন দেখা যায়, ফতেয়াবাদ রেল জংশনের উত্তরে মাহমুদাবাদ ক্রসিং এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে নাজিরহাট থেকে আসা একটি ট্রেন। আসাদুজ্জামান নামে এক যাত্রী বলেন, “ভোর ৬টায় নাজিরহাট স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠেছি। যাব কর্মস্থল নগরের ঝাউতলা। কিন্তু এখানে এসে দেখি রেললাইন ডুবে গেছে পানিতে। ট্রেন থেমে গেছে। পানির কারণে সামনের দিকে যেতে পারছে না। আশপাশের রাস্তাঘাটও ডুবেছে হাঁটু পানিতে। কি করব বুঝতে পারছি না।”

এদিকে বড়দিঘির পাড় এলাকায় দক্ষিণে ইসলাম ফিলিং স্টেশন থেকে উত্তরে মহাসড়কের কালভার্ট পর্যন্ত হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে ডুবে আছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, মহাসড়ক ডুবে থাকায় রবিবার সকাল থেকে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ আছে। রাস্তা ডুবে যাওয়ায় উভয় দিক থেকে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে। যানবাহন আটকা পড়ায় একদিকে চট্টগ্রাম শহরগামী, অন্যদিকে উত্তর চট্টগ্রামগামী বিপুল সংখ্যক যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com