রবিবার, ১৪ Jun ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীগণের অনুমোদন বিহীন ব্যানার ফেস্টুন অপসারণে অভিযান শুরু করেছে গাজীপুর রিটার্নিং কর্মকর্তা। উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
গাজীপুর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বেশ কিছুদিন ধরে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। এসব ব্যানার পোস্টার লাগানো আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পরে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুয়ায়ি ৩০নভেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমা দিতে হবে। প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারনা চালাতে পারবে বলেন, সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল ইসলাম। এর আগে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা নিষিদ্ধ।
এ অবস্থায় গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে সম্ভাব্য প্রার্থীগণের বিভিন্ন শুভেচ্ছা বার্তা-সহ নির্বাচনী প্রতারণার ব্যনার ফেস্টুন পরিলক্ষিত হয়। এসব ব্যানার-পোস্টার অপসারণ করতে সোমবার সকাল থেকে দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। গাজীপুর শহর ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় এসব অভিযান চলে। উচ্ছেদ অভিযানে সহায়তা করে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও আনসার সদস্যরা।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাজীপুর জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান সোমবার থেকে আমাদের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে প্রথম দিনে দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয় মঙ্গলবার থেকে আরো ব্যাপকভাবে এই অভিযান চালানো হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী তফসিল অনিুযায়ি ১-৪ ডিসেম্বর প্রার্থীদের জমা দেয়া মনোনয়নপত্র বাছাই, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫-৯ ডিসেম্বর, আপিল নিস্পত্তি ১০-১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহরের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর এবং ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারী।