শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল স্টার্টআপ কোম্পানি

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানি নামে স্টার্টআপে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা সংস্কৃতি গড়তে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কোম্পানি গঠনের প্রস্তাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

‘সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয় এ প্রস্তাব। ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর স্টার্টআপদের মূল্যায়নের পরিপ্রেক্ষিতে সিড স্টেজে সর্বোচ্চ ১ কোটি এবং গ্রোথ গাইডেড স্টার্টআপ রাউন্ডে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে।

বাংলাদেশে একটি টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরিতে সরকারি মালিকানায় প্রথম ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি হিসেবে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ মুখ্য ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি সরকারের রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের কাজকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

‘এর আগে চলতি বছরের আগস্টে মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছিল এ কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব। এর ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ-মতামত নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে আবার মন্ত্রিসভায় যায়। স্টার্টআপ খাতে থাকা সরকারের ১০০ কোটি টাকা এ কোম্পানিতে ফান্ড হিসেবে দেয়ার প্রস্তাব দেয়া রয়েছে।

এ ছাড়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হলে ফান্ড কোনো বিষয় হবে না, হাজার কোটি টাকা ভেঞ্চার তহবিল হতে পারে। উদ্যোক্তারা আইডিয়া দিয়েই এ কোম্পানি হতে টাকা পাবেন।

ব্যাংকে লোন পেতে যে মর্টগেজসহ কত কিছু লাগে এখানে তার কিছুই লাগবে না। আরও পড়ুন ৫০০ কোটি টাকা মূলধনের সরকারি স্টার্টআপ কোম্পানির অনুমোদন এখানে ঋণের পরিমাণ ও সুদের হার কত হবে তা কোম্পানি কাজ শুরু করলে ঠিক করা হবে। এর আগে চলতি বছরের ১৯ আগস্ট নীতিগত অনুমোদনের সময় কোম্পানির প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, কোম্পানির চেয়ারম্যান হবে তথ্যপ্রযুক্তি সচিব। পরিচালকের সংখ্যা হবে ৭ জন।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা পর্ষদে থাকবেন। এতে ৩৬ জন জনবল থাকবে। ২০১৬ সাল থেকে স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় এ নিয়ে কাজ করছে আইসিটি বিভাগ। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ উদ্যোগ নিয়ে জানিয়েছিলেন, এ কোম্পানির মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের এক হাজার স্টার্টআপের পাশে দাঁড়াবেন তারা।

কোম্পানির কাজ হবে মূলত বিকাশমান স্টার্টআপের পাশে দাঁড়ান। এ ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোয় এ কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি সেগুলোর পরিচালনার অংশীদারও হবে। ‘সরকারের এক হাজার কোম্পানিতে বিনিয়োগের লক্ষ্য থেকে যদি একটি বিশ্বমানের কোম্পানি বেরিয়ে আসে তাহলে তা পুরো দেশের চেহারা বদলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট হবে,’ বলে আসছেন পলক।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com