মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

‘ত্রাণ নয় উপহার, গোপন রাখা হচ্ছে নামও’

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ত্রাণ নয় এবং প্রচারের জন্য নয়। এটা উপহার, তাই ছবি তোলা নিষেধ এবং পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে। ০১৭১২৮৫৪৯৬৫ নম্বর মোবাইলে ফোন দিলেই বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে ২৫ কেজির ১ বস্তা চাল।

নীরবে-নিভৃতে এ কাজটি করে যাচ্ছেন মাদারীপুর জেলা পরিষদের সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা সামসুল আলম নান্নু মাতুব্বর। এক সপ্তাহ ধরে এ ব্যতিক্রমী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরবন্দি কর্মহীন নিন্ম মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার। যারা তাদের কষ্টের কথা কারো কাছে বলতে পারছেন না, কারো কাছে সাহায্যের হাতও বাড়াতে পারেন না। অথচ পরিবার পরিজন নিয়ে ঘরবন্দি জীবনে দারুণ কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। তাদের ফোন পেলেই পিকআপ ও মোটরসাইকেলে একদল কর্মী বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছে ২৫ কেজির ১ বস্তা চাল। রাত কিংবা দিন শহরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে যাচ্ছেন তার কর্মী বাহিনী। সামসুল আলম নান্নু মাতুব্বর বলেন, আমি জেলা পরিষদের একজন নির্বাচিত সদস্য। এ পর্যন্ত জেলা পরিষদ থেকে মাসিক ২৫ হাজার টাকা করে ৩৯ মাসের সম্মানী পেয়েছি ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রথম থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল এই সম্মানীর টাকা আমি নিজে খরচ না করে, জনকল্যাণে বিলিয়ে দিব। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় সামাজিকভাবে সহযোগিতা করেছি ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বাকী ৬ লাখ টাকার সঙ্গে আমি ব্যক্তিগত আরও ২ লাখ টাকা দিয়ে ২০ টন চাল কিনেছি। সেই চালই মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, এটা ত্রাণ নয় এবং প্রচারের জন্যও নয়। এটা আমার পক্ষ থেকে উপহার। তাই যাদের এই চাল দেয়া হচ্ছে তাদের ছবি তোলা নিষেধ এবং পরিচয়ও গোপন রাখা হচ্ছে। ০১৭১২৮৫৪৯৬৫ নম্বর মোবাইলে ফোন করা মাত্র আমার কর্মীরা পৌঁছে যাচ্ছে তাদের বাড়িতে। ইচ্ছে আছে আরও ২ লাখ টাকার চাল কিনে মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেব।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com