সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : রাজধানীর দুইটি ওষুধ ফার্মেসিতে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, ডাকাতি-ছিনতাইয়ের বদলে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিভিন্ন স্থালে লুট করেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ডিএমপি গণমাধ্যম শাখার প্রধান মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা ওই পাঁচজনকে আদালতে পাঠিয়েছি। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সেভাবেই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’
গোয়েন্দারা জানায়, মাছের পিকআপ, পথচারী, এমনকি মুরগীবাহী গাড়ি ছিনতাই-ডাকাতিই ছিল তাদের পেশা। ডেমরার চনপাড়া বস্তি থেকে মূল চক্রটি গড়ে ওঠে। তারা আবার ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অপরাধমূলক কাজ করে। এর মধ্যে পাঁচজনের চক্রটি চোখে মলম লাগিয়ে, ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আবার কখনো যাত্রী সেজে বাসের পাশের যাত্রীর টাকা পয়সা ও মুল্যাবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিতো। রাজধানীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় তারা এই কাজগুলো করত।
পুলিশ জানায়, এই চক্রের প্রধান টিটু পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যাওয়ায় তারা করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২ এপ্রিল রাতে মুখে গামছা ও মাস্ক পরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বিল্লাহ ফার্মায় ডাকাতি করে। লুট করে ল্যাপটপ, গ্রাহকের মোবাইল ও ক্যাশে থাকা ১৯ হাজার টাকা। একইভাবে ৫ এপ্রিল খিলগাঁওয়ের লাজফার্মাও লুট করে দলটি। অবশেষে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে সম্প্রতি ধরা পড়েছে চক্রের পাঁচ সদস্য। দীর্ঘদিন ধরেই ডাকাতি ও ছিনতাই করছিল তারা। এ চক্রে আরো অর্ধশতাধিক সদস্য আছে। যাদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দারা কাজ করছে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর