সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাব মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীর শনাক্তকরণে বসানো হয়েছে পিসিআর ল্যাব এবং রাখা হয়েছে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। তবে এত আয়োজনের পরও মমূর্ষু রোগীদের জন্য নেই কোন আইসিইউ।
জেলা সিভিল সার্জন অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, কুষ্টিয়ার জেলায় এখন পযন্ত কোন করোনা রোগির সন্ধান পাওয়া যায়নি। জেলার ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই করোনার জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। উপজেলা হাসপাতাল ছাড়াও তিনটি প্রতিষ্ঠানে ১৪৫টি আইসোলেশন ওয়াডের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়ার এফডাবলুভিটিআইয়ে ৪০টি, কুষ্টিয়া ডায়াবেটিস হাসপাতালে ৩০টি, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে ৩০টি। করোনা রোগী আনা নেওয়ার জন্য জেলার ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুরুন নাহার বেগম জানান, করোনা রোগী পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এখানে পর্যাপ্ত সুরক্ষার মধ্য দিয়ে চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। জেনারেল হাসপাতালে পর্যাপ্ত পিপিই ও মাস্ক রয়েছে। তবে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসাপাতালে আইসিইউ এর ব্যবস্থা নেই।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসে যদি কোন আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় তাহলে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে তাকে সেবা দেওয়া হবে। আমরা ৩সিফটে চিকিৎসরা রোগীদের সেবা দিচ্ছি।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে কুষ্টিয়ার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের পাশাপশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গুলোতেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কুষ্টিয়া জেলায় করোনা রোগী সন্দেহে ২৯৫ জনেরনমুনা সংগ্রহ করে টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিলো। এর মধ্যে ১০৪ জনের রেজাল্ট পাওয়া গেছে। তারা সকলেই করোনা নেগেটিভ। বাকীদের রেজাল্ট আসলে জানা যাবে।
তিনি আরো বলেন, জেলায় করোনা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬৫জন ডাক্তার ও ৭৫জন নার্স সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসকদের জন্য ৭ হাজারের উপরে মাস্ক ও পিপিই মজুদ রয়েছে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর