সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে ‘হাতেগোনা আমরা কজন’ ব্যানারে তিনি শত শত মানুষকে রাস্তায় নামাতে পেরেছিলেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনামূলক মাইকিং করে রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি নিজেই। এমন অনেক আন্দোলন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত মুখ সাংবাদক নিয়ামুল সজল। তিনি এখন করোনাভাইরাসের সময় যাদের কার্ড নেই বা কখনো কার্ড হওয়ার সম্ভাবনাও কম, এমন মধ্যবিত্ত ব্যক্তিদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।
গত ২০ এপ্রিল থেকে কয়েক দিন ধরে শতাধিক মানুষের কাছে তিনি খাবার পৌঁছে দিয়েছেন, যারা সরকারি ব্যবস্থাপনায় খাদ্য কর্মসূচিতে লাইনে দাঁড়ানো বা কার্ড করার জন্য দৌঁড়ঝাপ করতে চান না।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘শিক্ষিত দরিদ্র মানুষ আসলে কারো কাছে সাহায্য চাইতে পারে না, তার জন্য চেষ্টা-তদবিরও করতে পারে না। এমন অনেকের জন্য সাংবাদিক নেয়ামুল সজল একটা ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা চাই, তার মতো অন্যরাও এগিয়ে আসুক নীরব অসহায় শিক্ষিত মধ্যবিত্তদের পাশে।’
শহরের আকুয়ার চৌরঙ্গী মোড়ের বাসিন্দা শাহ জাবেদ বলেন, ‘উনাকে (সজল) খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে মিছিলে গিয়ে চিনেছিলাম। এবার আমার পরিচিত কয়েকজন মানুষ তার কাছ থেকে সাহায্য পেয়ে আমাকে জানালো। আসলেই তিনি নীরবে বড় উপকার করছেন অসহায়দের। আল্লাহর কাছে তার দীর্ঘ জীবন কামনা করি।’
নিয়ামুল সজল বলেন, ‘সবাই শুধু বলে, সরকার কী করছে? ব্যবসায়ীদের সমালোচনা করে, এমপি-রাজনীতিবিদদের দোষ দেয়। কিন্তু একটা বারও প্রশ্ন করে না, আমি নিজে কী করছি? সে চিন্তা থেকেই নিজের দায়িত্ব থেকেই ত্রাণ দিচ্ছি। আমি নিজের টাকায় শুরু করেছি, আত্মীয়-স্বজনরা পরে আসছে, এখন তার বাইরেও কেউ কেউ আমাকে চাল বা অন্যান্য খাদ্যপণ্য দিচ্ছেন। আমি পৌঁছে দিয়ে আসছি তাদের, যারা চাইতে পারে না, কোথাও তদবির করার জায়গাও নেই।’
সাংবাদিক নিয়ামুল সজল জানান, তিনি শতাধিক মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন। এটা অব্যাহত থাকবে। তিনি প্রতিটি পরিবারকে দিচ্ছেন চাল, আটা, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, আদা, তেল, লবণ, মুড়ি, সেমাই, সাবান ও ডিটারজেন্ট।
নগরকন্ঠ.কম/এআর