সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে বৃহস্পতিবারও পঞ্চমদিনের মতো ঢাকা-চট্টগ্রামগামী গার্মেন্টসকর্মীরা অবস্থান করেন। কয়েক হাজার কর্মীর এমন অবস্থানে ওই এলাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
প্রশাসনের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যারিকেড দেয়ায় গার্মেন্টসকর্মীরা ফেরিযোগে যেতে পারছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রশাসন ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও এ সব কর্মী জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ রিকশাযোগে ফেরিঘাটে এসে ঝড়ো হন। কেউ কেউ রাতের অন্ধকারে ট্রলারে উত্তাল মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার মজুচৌধুরী ঘাটে যাওয়ার চেষ্টা করে।
গার্মেন্টসকর্মী বিলকিস বেগম জানান, ২ মে কাজে যোগদান না করলে চাকরি থাকবে না।
নাছিমা বেগম জানান, তার গার্মেন্টস ২৬ এপ্রিল থেকে খুলেছে। এমন কথা ঘাটে অবস্থানকারী শত শত কর্মীর।
ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে এ সব কর্মীদের এ মুহূর্তে ঘরে থাকতেই হবে। এ কারণে মালামাল ও পণ্য পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ৩টি ফেরিও বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এমন কঠোর অবস্থানের মধ্যেও অধিক ভাড়া দিয়ে কোনো কোনো যাত্রীকে অতিপ্রয়োজন দেখিয়ে স্পিডবোটে যেতে দেখা যায়। আবার অনেক যাত্রীকে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানান ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রতুন কুমার শীল।
নগরকন্ঠ.কম/এআর