রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : বৃহস্পতিবার নিষেধাজ্ঞার শেষ দিন। রাত ১২টার পর মেঘনায় ইলিশ শিকারের প্রস্তুতি নিয়েছেন মনপুরা উপকূলের ২০ হাজার জেলে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে নদীতে ইলিশ শিকারে যেতে পারবে কিনা সেই শঙ্কাও বিরাজ করছে জেলেদের মধ্যে।
এ দিকে জেলেদের শিকার করা ইলিশ কীভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছাবে তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগকারী মৎস্য আড়তদাররা।
তবে মেঘনায় মাছ শিকারের কোনো সরকারি বাধা নেই ও উৎপাদিত ইলিশ পরিবহন শিথিলযোগ্য বলে জানান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।
এই উপকূলে ১৩ হাজার ৯০৪ জন জেলে নিবন্ধন হলেও প্রকৃত জেলের সংখ্যা ২০ হাজারের উপরে বলে জানান জেলে সমিতির নেতারা।
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, মার্চ-এপ্রিল ভোলার ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনায় ইলিশের অভায়াশ্রম ঘোষণা করে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। তবে এই সময় জেলেদের ৪০ কেজি করে ভিজিএফের চাল দেয়া হয়।
কামরুল মাঝি, হানিফ মাঝি, আজাদ মাঝি, কামাল মাঝি, সজল মাঝি, ইব্রাহীম মাঝি, জাহাঙ্গীর মাঝি ও জহির মাঝিসহ অর্ধশতাধিক জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে গত দুই মাস মাছ শিকারের যেতে পারিনি। পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে আছি। সরকারি সাহায্য সবার কপালে জোটেনি। শুনছি করোনার কারণে মাছ ধরতে দেবে না। মাছ না ধরতে পারলে না খেয়ে মারা যাব।
মৎস্য আড়তদাররা জানান, করোনার কারণে লঞ্চ বন্ধ। জেলেদের ইলিশ কীভাবে ঢাকা পাঠাব বুঝতে পারছি না। কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি। মাছ না পাঠাতে পারলে লোকসানে পড়ে যাব।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তারেকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে জেলেরা মেঘনায় ইলিশ শিকার করতে পারবে। ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা নেই। পরিবহন করতে পারবে নিজ উদ্যোগে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর