শপিংমলে করোনাভাইরাস ঠেকাতে কাজ করছে রোবট!

শপিংমলে করোনাভাইরাস ঠেকাতে কাজ করছে রোবট!

0

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : কালো রোবটিকে দেখতে অনেকটা যান্ত্রিক কুকুরের মতোই মনে হয়। এর আগে তাকে বিভিন্ন কনসার্টে বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু এবার তার ভূমিকা খুব সিরিয়াস। ‘কে নাইন’ নামের এই রোবটটি আরো কয়েকটি রোবট নিয়ে গড়ে তোলা একটি দলের সদস্য।

এসব রোবটকে থাইল্যান্ডের অত্যাধুনিক একটি শপিংমলে ক্রেতাদের কোভিড-১৯ থেকে সতর্ক করতে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভাবুন তো এমন রোবট যদি আমাদের দেশে ঈদ শপিংয়ের এই সময়ে শপিংমলে ব্যবহার করা যেত, তাহলে কেমন হতো?

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দুই মাস বন্ধ থাকার পর ব্যাংককে বেশ কিছু শপিংমল খুলে দেয়া হয়েছে এখন। ধীরে ধীরে লকডাউন ভেঙে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছে থাইল্যান্ড। দেশটিতে গত কয়েক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার অনেক কমেছে। এ পর্যন্ত মাত্র ৫৬ জন করোনায় মারা গেছে।

এ অবস্থায় আর যেন সংক্রমণ না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে শপিংমলগুলোতে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ব্যাংককের সেন্টার ওয়ার্ল্ড শপিং মলের গ্রাউন্ড ফ্লোরে ঘুরে বেড়াচ্ছে কে নাইন রোবটটি। তার সাথে আছে স্যানিটাইজার। শপিং মলে আসা ক্রেতারা যেন চাইলেই স্যানিটাইজার পান, সে দায়িত্ব পালন করছে সে। এই রোবটের সাথে আছে ‘লিসা’ (লাইভ ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিস অ্যাসিসটেন্ট) নামের সাদা রঙয়ের আরেকটি রোবট। এটি ৫ ফুট লম্বা এবং এর সামনে আছে বড় একটি স্ক্রিন। এই রোবটের কাজ হলো ক্রেতাদেরকে কাছের টয়লেটে নিয়ে যাওয়া ও তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে যে মাস্ক পরতে হবে তা মনে করিয়ে দেয়া।

এছাড়া ‘আরওসি’ (রোবট ফর কেয়ার) নামের আরেকটি রোবট আছে, যার কাজ হলো থারমাল স্ক্যানার দিয়ে ক্রেতাদের শরীরের তাপমাত্রা যাচাই করা। কারো তাপমাত্রা ৯৫ ডিগ্রির বেশি হলে তাকে স্বাস্থ্য কর্মীর পরামর্শ নিতে বলে এই রোবট। এসব রোবটের সাথে ছোট্ট আরেকটি রোবটও আছে, যার নাম ‘পিপার’। এটি জনগণের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক বিভিন্ন বার্তা প্রদর্শন করে। করোনাভাইরাসের আগে সেন্টার ওয়ার্ল্ড শপিং মলে প্রতিদিন এক লাখ ক্রেতা ভিড় জমাতো। তবে গত সপ্তাহে আবার চালু হওয়ার পর শপিংমলটিতে ক্রেতা উপস্থিতি কমেছে ৯০ শতাংশ।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন