বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

মানিকগঞ্জে ৯২৪ পরিবার পানিবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : মানিকগঞ্জের অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বেড়েই চলেছে। কালীগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ইছামতী নদীর পানি বৃদ্ধিতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে প্রতিদিন।

হরিরামপুর, দৌলতপুর, ঘিওর এবং শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার ৯২৪টি পরিবার।

মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আরিচা যমুনা পয়েন্টের পানির স্তর পরিমাপক মো. ফারুক আহম্মেদ জানান, এ পয়েন্টে রোববার বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও সোমবার (২০ জুলাই) তা ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি কমলেও বাড়ছে অভ্যন্তরীণ নদীর পানি।

ফারুক আহম্মেদ জানান, দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর, চরকাটারী, বাঁচামারা, বাঘুটিয়া, খলসী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া শিবালয় উপজেলার আলোকদিয়া চর, চর শিবালয় এলাকা প্লাবিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঘিওর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীর তরা পয়েন্টের গেজ রিডার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কালীগঙ্গা নদীর তরা পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রোববার এ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় এ পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এতে করে ঘিওর উপজেলার পূর্বাঞ্চল, মাইলাগী, বানিয়াজুড়ি, কুটাই, চামটা এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, এ পর্যন্ত উপজেলাগুলোর বিভিন্ন এলাকায় ২৩১ বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার ৯২৪টি পরিবারের ৭২৮৬ জন মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। হরিরামপুর উপজেলার চারটি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫৮টি পরিবার এবং দৌলতপুর উপজেলায় ৬০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক এস. এম ফেরদৌস জানান, পানিবন্দি মানুষের মাঝে ১৩০ মেট্রিক চাল, ১৭শ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নগরকন্ঠ.কম /এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com