সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

আশুলিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ: ৩ আসামির রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : সাভারের আশুলিয়ার ভাদাইলে এক কিশোরী শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলা (নম্বর-১৬) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে গ্রেপ্তার সাহরুফ, ডায়মন্ড আলামিন ও জাকিরের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকার আকরাম হোসেনের ছেলে সাহরুফ (১৮), একই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে ডায়মন্ড আলামিন (১৮) ও আনছার আলীর ছেলে জাকির হোসেন (১৮)।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, বুধবার রাতে আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বড় বোন। এঘটনায় এর আগে সন্দেহভাজন ৪ জনকে আটক করা হলেও রাকিব হোসেন নামে একজনের সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া যায়নি।তাই এই মামলায় অন‌্য তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

থানার পরিদর্শক আরও জানান, একমাস আগে আশুলিয়ার ভাদাইল গুলিয়ারচক এলাকায় বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন পেশায় শ্রমিক এক কিশোরী। ধর্ষকদের ধারণ করা ভিডিও ও ছবি পরে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে কোনো অভিযোগ না পেলেও পুলিশ বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দেয়। শুরু করে তদন্ত। প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার ভোরে আশুলিয়ার ভাদাইল ও নয়ারহাট এলাকা থেকে সন্দেহভাজন আলামিন, জাকির ও রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু মামলার বর্তমান প্রধান আসামি কিশোর সাহরুফ আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সবশেষ প্রযুক্তির সহায়তায় খুলনায় খালার বাড়িতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয় পুলিশ। বুধবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে সন্ধ্যায় আশুলিয়া থানায় আনা হয়।
গ্রেপ্তার সাহরুফ, ডায়মন্ড আলামিন ও জাকিরকে বৃহস্পতিবার দুপুরে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

উল্লেখ‌্য, এক মাস আগে আশুলিয়ার ভাদাইল গুলিয়ারচক এলাকায় পেশায় শ্রমিক ওই কিশোরী তার দু:সম্পর্কের চাচা ও প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আরও এক কিশোরীসহ চারজন বেড়াতে যায়। সেখানে ওই কিশোরীকে কিছু দূরে একটি হাউজিং প্রকল্পের নির্জন স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করে কয়েকজন কিশোর। অন‌্য তিনজনকে মারধর করে দূরে বসিয়ে রাখা হয়। সন্ধ্যায় তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। চেষ্টা করা হয় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার। গেল তিন দিন আগে ওই কিশোরকী গণধর্ষণের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তৎপর হলে গ্রেপ্তার হয় তিনজন।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com